Sunday, September 29, 2013

বেসম্ভব_সম্ভবকারী অনন্ত জলিল !!!

অভিনেতা হিসেবে অনন্ত জলিলকে আমি ১০ এর মধ্যে ০ (শূণ্য) দেব কিন্তু একজন ব্যক্তি অনন্ত জলিলকে ১০ এর মধ্যে ১১০ দেব। অলরেডি আমরা সবাই জানি যে , সে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একটি করে মাল্টিপ্লেক্স করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া বর্তমান চলচিত্রে যে ডিজিটালাইজড করার প্রবনতা এটা তার মাধ্যমেই শুরু হয়েছে এটা মানতেই হবে।

আজ আবার একটা খবর জানতে পারলাম, অনন্ত জলিল নাকি একাই ২ টা এতিম খানা চালায় আর ঢাকার অদুরে ২৮ বিঘা জমির উপর একটা বৃদ্ধাশ্রম খুলতে যাচ্ছে খুব শীঘ্রই। স্বাধীনতার পর এই ৪২ বছরে অনেক বড় বড় সুপার ডুপার স্টার আসছে গেছে। অনেকে অনেক বুলি আউরিয়েছে। বরং দেখা গেছে অনেকে নিজেদের ফেসভেল্যু কাজে লাগিয়ে জনপ্রতিনিধির দলে এসে উল্টো জনগণের রক্ত আরো চুষে খেয়েছে। তুলনা করলে ঠিক হবে কি না জানিনা তারপরও আজ আরেকবার মনে পড়ে গেল ভারতের সেই বিগ স্টার রজনীকান্তের কথা। যার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল একজন সামান্য কন্ডাক্টর হিসেবে।

লাইফের সাথে স্ট্রাগল করে আজ সে এই পর্যায়ে। সে তো ঠিকমত কথাই বলতে পারতো না। এখনও শুদ্ধ ভাষায় কথা বলতে পারে না। অথচ বলিউডের বাঘা বাঘা Actor বিগ-বি, শাহরুখ, সালমান,আমির,অক্ষয়রা তাকে স্যালুট জানাতে দ্বিধা করেনা। তাকে নিয়ে ইন্ডিয়াতে হাজার হাজার জোকস প্রচলিত থাকলেও তারা কিন্তু তার পোস্টার আর মূর্তির পুজোও করে। আর অনন্ত তার ক্যারিয়ার শুরু করে সামান্য গার্মেন্টসকর্মীহিসেবে। জীবনের সাথে যুদ্ধ করে এখন তার এই অবস্থান। বর্তমানে সে নিজেই ১৯টা গার্মেন্টেস এর মালিক। (It’s Huge) এটা কিন্তু ফেলে দেবার মত কথা নয়।

অনন্তকে উদ্দেশ্য করে একটা কথাই বলবো, “ তুমি যেভাবে আছ সেভাবেই চালিয়ে যাও গুরু। তোমার ভাল Acting করতে হবেনা। তোমার সিরিয়াস ডায়লগে হো হো করে হেসে মজা নেব, তোমাকে নিয়ে জোকস বানাবো, তোমাকে সুযোগ পেলেই পচাবো। কিন্তু তোমাকে স্যালুট জানাতে ভুলবো না। ভাল Actor থেকে ভাল মানুষ অনেক ভালো।

কৃতজ্ঞতায়: Mussharraf Hossen Shoikot

Friday, September 27, 2013

ফেসবুকে এল স্ট্যাটাস সম্পাদনার সুবিধা

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর মনে যদি মনে হয় বানান বা তথ্যে ভুল আছে আর তা সম্পাদনা করা প্রয়োজন এখন থেকে সহজেই করতে পারবেন। এতদিন ফেসবুক স্ট্যাটাস এডিট বা সম্পাদনার সুযোগ না থাকায় ফেসবুক ব্যবহারকারীকে নানা অসুবিধায় পড়তে হয়েছে। এবারে স্ট্যাটাস বা মন্তব্য সম্পাদনা করার সুবিধা যুক্ত করছে ফেসবুক। এর আগে ২০১২ সালে কমেন্ট বা স্ট্যাটাসের বিপরীতে লেখা মন্তব্য সম্পাদনার সুযোগ চালু করেছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

যারা ডেস্কটপে ফেসবুক ব্যবহার করেন তাঁরা স্ট্যাটাসের ডান দিকে কোনটিতে ক্লিক করে স্ট্যাটাস সম্পাদনা করতে পারবেন। ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে স্ট্যাটাস এডিট করার সুবিধাও যুক্ত করেছে ফেসবুক। স্ট্যাটাস এডিট করার সুবিধাটি ওয়েব ছাড়াও অ্যান্ড্রয়েডে ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহারকারীরা পারছেন। শিগগিরই আইফোন ও আইপ্যাড ব্যবহারকারীদের জন্য এ সুবিধা উন্মুক্ত করবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব ফেসবুক ব্যবহারকারীর কাছে স্ট্যাটাস সম্পাদনার সুবিধা পর্যায়ক্রমে পৌঁছাবে। তাই এখনও যাঁরা এ সুবিধা পাননি তাঁদের ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে বলেছে ফেসবুক।

ফেসবুকের ক্ষেত্রে স্ট্যাটাস সম্পাদনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি ছিল চ্যালেঞ্জের। কেউ ভালো স্ট্যাটাস লিখে লাইক বা মন্তব্য পাওয়ার পর তা এডিট করে বিতর্কিত স্ট্যাটাস করে ফেলতে পারে। আবার বিতর্কিত পোস্ট ঘুরিয়ে ফেলতে পারে।

তবে, কমেন্টের মতোই স্ট্যাটাস এডিট লগ দেখার সুবিধা স্ট্যাটাসের এডিটের ক্ষেত্রেও থাকছে। স্ট্যাটাস দেওয়ার সময় যেখানে প্রদর্শিত হয় তার পাশেই স্ট্যাটাসটি সম্পাদনা করা হয়েছে কিনা বা যা পরিবর্তন করা হয়েছে সব তথ্য দেখা যাবে। এতে করে স্ট্যাটাসদাতা শুধু বানান বা তথ্যগত ভুল যাতে ঠিক করে নিখুঁত স্ট্যাটাস দিতে পারবেন।

কয়রায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

কয়রার সকল এনজিও’র সমন্বয়ে কয়রা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দ্যোগে ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১০ টায় কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কয়রা সদর ইউ.পি চেয়ারম্যান এস.এম শফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন কয়রা ইউ.পি’র সকল সদস্যবৃন্দ ও ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেজেএস, ইসলামী রিলিফ, প্রদীপন, রূপান্তর, ডিআরআর, ব্র্যাক, ক্যারল ও সুশীলনের কর্মকর্তাবৃন্দ। এ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ইসলামী রিলিফ কয়রা সদর ইউনিয়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নতুন করে যোগ হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসলামী রিলিফ প্রকল্প পরিচিতি সম্পর্কে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পিও মিজানুর রহমান, এপিও মাহফুজ কবির, কুদরাত উল্লাহ ফারুকী এবং পিও উজ্বল কুমার কুন্ড, সভায় ইসলামী রিলিফের সিআর নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হয়।

সভায় কয়রা সদর ইউ.পি চেয়ারম্যান সকল এনজিও’র কাছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট দূর্যোগ মোকাবেলায় ব্যক্তিকে সাবলম্বী না করে সমষ্ঠিতগত ভাবে এলাকা রক্ষনা বেক্ষনের উপর গুরুত্বারপ করেন এবং তিনি বিভিন্ন প্রকল্প উত্থাপন করেন।