Friday, October 4, 2013

কপিলমুনিতে ক্রেতা সেজে ফেনসিডিলসহ মাদক বিক্রেতাকে আটক

কপিলমুনিতে ক্রেতা সেজে ৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আলামিন (২১) নামের এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে কপিলমুনি ফাঁড়ি পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় উপজেলার কাশিমনগর ঘোড়া বটতলা নামক জায়গা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে তালা উপজেলার মাছিয়াড়া গ্রামের শহিদুল গাজীর পুত্র ও নিয়মিত মাদক বিক্রেতা বলে জানাগেছে। এ ব্যাপারে মাদক আইনে মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানা যায়, আলামিন একজন নিয়মিত মাদক ব্যবসায়ী। সে তালা ও পাইকগাছা উপজেলার সীমান্তবর্তী স্থানকে মাদক ব্যবসার নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন যাবৎ ফেন্সিডিল বিক্রি করে আসছে।

এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার কপিলমুনি ফাঁড়ির দারোগা এস আই আব্বাস আলী ও কনষ্টেবল সোহাগ ক্রেতা সেজে ফেন্সিডিল নিতে আলামিন এর মোবাইলে যোগাযোগ করলে সে জানায় কাশিমনগর সীমান্ত এলাকা ঘোড়া বটতলা নামক জায়গায় অপেক্ষা করতে। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষার পর আলামিন ফেন্সিডিল নিয়ে আসা মাত্রই দারোগা আব্বাস তাকে ঝাপটে ধরলে ধস্তাধস্তির এক পর্যায় তাকে আটক করতে সক্ষম হন।

এ ব্যাপারে থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকরা কপিলমুনি ফাঁড়িতে ফেন্সিডিলসহ আটক ব্যাক্তির ছবি তুলতে গেলে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে বলে ছবি তুলতে দেননি কর্তব্যরত দারোগা এস আই আব্বাস আলী।

পাইকগাছায় ঔষধ দোকান মালিকদের ধর্মঘট; ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে ধর্মঘট পালন করেছে ঔষধ দোকান মালিকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান বন্ধ রাখার মাধ্যমে এ ধর্মঘট পালন করে প্রায় ২‘শ ঔষধ দোকান মালিকরা।

উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মিটফোর্ড ঔষধ মার্কেটে ভ্রাম্যমান আদালত লাখ লাখ টাকার ঔষধ জব্দ, আর্থিক জরিমানা ও ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করলে এর প্রতিবাদে বাংলাদেশ কেমিষ্ট্র এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি বৃহস্পতিবার সারাদেশে ধর্মঘট আহবান করে। এরই অংশহিসাবে উপজেলা সদরসহ ১০ ইউনিয়নের প্রায় ২ শতাধিক দোকানমালিকরা ধর্মঘট পালন করলে উপজেলার কোথাও কোন দোকান খোলা না থাকায় প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।

পৌর বাজারে ঔষধ কিনতে আসা আসাদুল ইসলাম জানান ঔষধ এমন একটি প্রয়োজনীয় দ্রব্য, যা সময়মত পাওয়া না গেলে একজন মানুষের মৃত্যুর কারন হয়ে দাড়ায়, ঔষধের দোকান দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর হরতালের আওতামুক্ত থাকলেও সংশ্লিষ্ট দোকানমালিকরা ধর্মঘটের নামে নিজেরাই দোকান বন্ধ রেখে অসুস্থ মানুষকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিচ্ছে, এটা কোন ধরনের আন্দোলন।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশহিসাবে এ ধর্মঘট পালন করা হয়েছে বলে উপজেলা ঔষধ দোকান মালিক সমিতির আহবায়ক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক জানান।

আজ মহালয়া

জাগো তুমি, জাগো।
জাগো দূর্গা,
জাগো দশপ্রহরনধারিণী,
অভয়া শক্তির বলপ্রদায়িনী, তুমি জাগো।

 








আজ মহালয়া। দেবীপক্ষের সূচনা। দেবীকে আহবান জানানো হবে আজকে এই ধরনীতে আগমনের জন্য। দেবীর কাছে প্রার্থনা....... হে দেবী, তুমি জাগো, তুমি জাগো, তুমি জাগো, ধন্য করো তোমার আগমনে এই পৃথিবীকে। করো কলুষতা মুক্ত। মাতৃরূপে,বুদ্ধিরূপে,শক্তিরূপে আশীর্বাদ করো পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে। বিনাশ করো আমাদের অসুর প্রবৃত্তিকে।

সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা।