Tuesday, November 5, 2013

কপিলমুনিতে কালী প্রতিমা বিসর্জন পুর্ব র‌্যালী অনুষ্ঠিত

কপিলমুনিতে কালী প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে এক সুবিশাল র‌্যালী সোমবার বিকাল ৪টায় কপিলমুনি বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিসর্জন পূর্ব র‌্যালীর নের্তৃত্ব দেন পুজা উদযাপন পরিষদ কপিলমুনি শাখা।

এতে অংশগ্রহণ করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের নেতা চম্পক কুমার পাল, সাধন চন্দ্র ভদ্র, তরুণ কুমার পাল, যুগোল কিশোর দে, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, মতিলাল সিংহ, সন্তোষ সরকার, রথীন্দ্র নাথ দত্ত, প্রণব সাধু, জয়ন্ত সাধু, শংকর সাধু, পংকজ সাহা, মিন্টুসহ সহস্রাধীক ধর্মপ্রাণ ও উৎসুক মানুষের উপস্থিতিতে প্রায় শতাধিক কালী প্রতিমা একত্রে প্রদর্শন করা হয়।

এরপর সন্ধা মুহুর্তে কপোতাক্ষের তীরবর্তী কালীবাড়ী ঘাটে বিসর্জনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। কালী প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে কপিলমুনি হিন্দু সম্প্রদায়ের এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

কপিলমুনিতে সর্বাত্ত্বক শান্তিপূর্ণ হরতাল পালিত

১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৬০ ঘন্টা হরতালের প্রথম দিনে কপিলমুনিতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সর্বাত্ত্বক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হরতাল পালিত হয়।

সকালে জোটের ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পিকেটিং করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাঁধা দেয়। সকাল থেকে দোকানপাট বন্ধ থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেককেই দোকানপাট খুলতে দেখা গেছে। দুর পাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও নছিমন, করিমন, আলমসাধু, ভটভটি ও ভাড়ায় চালিত মটর সাইকেল চলাচল করেছে। তবে হরতালের কারনে মানুষের দ্বিগুন ভাড়া গুনতে হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানায়।

পাইকগাছায় ছিনতাই !

রবিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ অভ্যন্তরের রাস্তায় তিন যুবক পায়ে হেটে বাড়ি যাবার প্রাক্কালে অপর তিন ছিনতাইকারী তাদের মারধর করে দু’টি মোবাইল ও একটি মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।