Saturday, March 8, 2014

নারীকে লড়তে হবে সর্বগ্রাসী পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে, পুরুষকে সঙ্গে নিয়ে !

যে সব মেয়েরা “আমি কেন ছেলে হলাম না” টাইপ চিন্তা করে আফসোস করে তাদের মত দুর্ভাগা আর কেউ নেই।

সমস্ত সুন্দর উপমা নারীদের জন্য। আজ পর্যন্ত কোন পুরুষকে দেখে কেউ বলেনি “ওমা তুমি দেখি ফুলের মত সুন্দর, অথবা পাখীর নীরের মত চোখ তোমার ! কি মিষ্টি তুমি !

পুরুষের রূপ নিয়ে কোন কবিতা লেখা হয় না, হয় না কোন গান। পুরুষের শক্তি নিয়ে কথা হলেও ঠিক তার পাশেই লোকে উচ্চারণ করে কোন না কোন নারীর ভূমিকা। নারীর ভালবাসার কাছে নত হয়নি এমন প্রেমিক নেই। নারী বিহীন সংসার আলো বিহীন চাঁদের মত।

এর পরেও যে নারী দুর্বল, সে বোকা।

আঁধার ভাঙার শপথে আন্তর্জাতিক নারী দিবস

এখনো আলো ফোটেনি নারীর অধিকারপ্রাপ্তির ধরাতে। এখনো দেশের ৮৭ শতাংশ নারী সহিংসতার শিকার। নিজ গৃহে, স্কুলে, রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে সহিংসতার শিকার হচ্ছেন নারী। তাইতো আঁধার ভাঙার শপথ নিয়ে শুরু হলো আর্ন্তজাতিক নারী দিবস।

আজ ৮ মার্চ, আর্ন্তজাতিক নারী দিবস। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অগ্রগতির মূলকথা, নারী-পুরুষ সমতা’।

নারী দিবসের ইতিহাস: এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকরা।

সেই মিছিলে চলে সরকারি বাহিনীর দমন-পীড়ন। ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটনারি সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বছরের ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনকরার প্রস্তাব দেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস

Voice of Paikgacha‘র পক্ষ থেকে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ করার এবং নির্যাতন প্রতিরোধের দাবী জানাই।