Saturday, July 19, 2014
কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ
মরিলে কান্দিস না আমার দায়। রে যাদু ধন মরিলে কান্দিস না আমার দায়...
হুমায়ূন আহমেদ নেই দুই বছর হয়ে গেল। তার শোক আজো লালন করছে লক্ষ পাঠকের হূদয়। তার স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে বইমেলা, পাঠকনন্দিত চরিত্র অবলম্বনে আয়োজন করা হয়েছে 'হিমু মেলা'। নেই শুধু তিনি।
আজ বাংলাদেশের কিংবদন্তিতুল্য কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয়
মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১২ সালের এই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন
তিনি। চিকিত্সার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। বাংলাদেশে নানা অনুষ্ঠানে তার
ভক্ত-শুভার্থীরা কামনা করেছিলেন তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন এই তেরোশ নদীর
দেশে। কিন্তু মানুষের সেই প্রার্থনা পূরণ হয়নি। তিনি চলে গেছেন না ফেরার
দেশে।
তার মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল গোটা জাতি। সেই শোক আজো কাটেনি ভক্ত-পাঠকদের হূদয় থেকে। হুমায়ূন নেই তিনি বেঁচে আছেন লক্ষ পাঠকের হূদয়ে। তাকে নিয়ে বইমেলায় আসছে বই। পাঠক পরম মমতায় সংগ্রহ করছেন সেই সব বই।
হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত লিখে যেতে চাই। লেখালেখিই আমার বিশ্রাম। লেখালেখি বন্ধ হলে আমার বেঁচে থাকা অর্থহীন হয়ে পড়বে, আমি বাঁচতে পারবো না। পাঠকদের উদ্দেশে তার আবেদন 'দোয়া করবেন, আমি যেন আমৃত্যু লিখে যেতে পারি।'
তার সেই আশা পূরণ হয়েছিল। মৃতুর আগে পর্যন্ত লিখেছেন। নিউইয়র্কে হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও তিনি 'দেয়াল' উপন্যাস লিখেছেন। যদিও শেষ করে যেতে পারেননি।
তার মৃত্যুতে গভীর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল গোটা জাতি। সেই শোক আজো কাটেনি ভক্ত-পাঠকদের হূদয় থেকে। হুমায়ূন নেই তিনি বেঁচে আছেন লক্ষ পাঠকের হূদয়ে। তাকে নিয়ে বইমেলায় আসছে বই। পাঠক পরম মমতায় সংগ্রহ করছেন সেই সব বই।
হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত লিখে যেতে চাই। লেখালেখিই আমার বিশ্রাম। লেখালেখি বন্ধ হলে আমার বেঁচে থাকা অর্থহীন হয়ে পড়বে, আমি বাঁচতে পারবো না। পাঠকদের উদ্দেশে তার আবেদন 'দোয়া করবেন, আমি যেন আমৃত্যু লিখে যেতে পারি।'
তার সেই আশা পূরণ হয়েছিল। মৃতুর আগে পর্যন্ত লিখেছেন। নিউইয়র্কে হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও তিনি 'দেয়াল' উপন্যাস লিখেছেন। যদিও শেষ করে যেতে পারেননি।
কপিলমুনির ঈদ বাজার ::
কাপড়ের দোকানে উপছে পড়া ভীড়; জুয়েলারি দোকান ক্রেতা শুণ্য
কপিলমুনিতে ঈদ বাজার জমে উঠেছে। কাপড়ের দোকান’সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানে উপছে পড়া ভীড় পরিলক্ষিত হলেও জুয়েলারি দোকান ক্রেতা শূণ্য। ঈদ মানে খুশি, আর সেই কাঙ্খিত খুশির ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি রয়েছে। ঈদের সেই আনন্দের দিনটি যত ঘনিয়ে আসছে তত কপিলমুনির বাণিজ্য বিপনীগুলো ক্রেতা সাধারণের পদভারে মুখরিত হচ্ছে।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, কপিলমুনির কাপড়পট্টিতে যেন তিল ধারনের ঠাঁই
নেই। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনা-বেচা। আবাল বৃদ্ধ
বণিতা সকলেই ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে উপভোগ করতে যেন পিছপা হচ্ছেন না।
সকলেরই চাই ঈদে নতুন পোশাক, তাইতো সেই সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাপড়ের
দোকানে এ ছুটে চলা।
কাপড়পট্টির গার্মেন্টস ব্যবসায়ী শেখ আব্দুল গফুর জানান, এ বছর মেয়েদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাক পাখি-থ্রিপিচ। অন্য সকল পোশাকের তুলনায় অকেনগুন বেশি চাহিদা দেখা যাচ্ছে এটির। এছাড়া শাড়ি, শিশুদের শার্ট প্যান্ট, ফতুয়া বিদেশী জিন্স প্যান্টও চাহিদার তালিকায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ১২০০ থেকে ৩ হাজার টাকা মূল্যের পাখি থ্রি-পিচ গুলো দেশি ও ভারতের তৈরী দুরকমের বিক্রি করছি। এর মধ্যে ভারতীয় পিচ গুলো গুণগতমান ভাল হওয়ায় এর চাহিদা আবার বেশি।
এদিকে কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি কপিলমুনি বাজারের টেইলার্স, সু স্টোর, কসমেটিকস্ স্টোর গুলোতেও উপছে পড়া ভীড় পরিলক্ষিত হয়।
প্রায় সকল দোকানে ঈদের আমেজ পরিলক্ষিত হলেও যেন প্রান পায়নি জুয়েলার্স পট্টি। প্রতি বছর ব্যাপক সোনার গহনা বিক্রি হলেও অধিকাংশ দোকানে এবছর কেনা-বেচা প্রায় শুণ্যের কোঠায়। ফলে জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা ঈদ মৌসুমে এক প্রকার আশাহত হয়েছেন।
কপিলমুনির জুয়েলার্স পট্টির গীতা জুয়েলার্স এর মালিক কেষ্টপদ দত্ত বলেন, এবারের ঈদে গহনার অর্ডার একেবারেই কম। ফলে ঈদ মৌসুমে আমাদের দোকানের কারিগররা বসে সময় কাটাচ্ছে।
কাপড়পট্টির গার্মেন্টস ব্যবসায়ী শেখ আব্দুল গফুর জানান, এ বছর মেয়েদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাক পাখি-থ্রিপিচ। অন্য সকল পোশাকের তুলনায় অকেনগুন বেশি চাহিদা দেখা যাচ্ছে এটির। এছাড়া শাড়ি, শিশুদের শার্ট প্যান্ট, ফতুয়া বিদেশী জিন্স প্যান্টও চাহিদার তালিকায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ১২০০ থেকে ৩ হাজার টাকা মূল্যের পাখি থ্রি-পিচ গুলো দেশি ও ভারতের তৈরী দুরকমের বিক্রি করছি। এর মধ্যে ভারতীয় পিচ গুলো গুণগতমান ভাল হওয়ায় এর চাহিদা আবার বেশি।
এদিকে কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি কপিলমুনি বাজারের টেইলার্স, সু স্টোর, কসমেটিকস্ স্টোর গুলোতেও উপছে পড়া ভীড় পরিলক্ষিত হয়।
প্রায় সকল দোকানে ঈদের আমেজ পরিলক্ষিত হলেও যেন প্রান পায়নি জুয়েলার্স পট্টি। প্রতি বছর ব্যাপক সোনার গহনা বিক্রি হলেও অধিকাংশ দোকানে এবছর কেনা-বেচা প্রায় শুণ্যের কোঠায়। ফলে জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা ঈদ মৌসুমে এক প্রকার আশাহত হয়েছেন।
কপিলমুনির জুয়েলার্স পট্টির গীতা জুয়েলার্স এর মালিক কেষ্টপদ দত্ত বলেন, এবারের ঈদে গহনার অর্ডার একেবারেই কম। ফলে ঈদ মৌসুমে আমাদের দোকানের কারিগররা বসে সময় কাটাচ্ছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)

