Wednesday, August 20, 2014

পাইকগাছায় ১০০ জন নারী-পুরুষের সনাতন ধর্ম গ্রহণ

পাইকগাছার বাইনবাড়িয়ার কাঠালতলার ঋষি পল্লীর বাসিন্দারা খ্রীষ্টান ধর্ম পরিত্যাগ করে সনাতন ধর্মে ফিরে এসে জাকজমকভাবে শ্রীকৃষ্ণের শুভ আভির্বাব তিথিতে জন্মাষ্টমী উৎসব পালন করেছেন। নতুন মন্দির প্রতিষ্ঠা করে সকাল-সন্ধ্যায় র‌্যালী, আলোচনা ও বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তারা এ সব উৎসব পালন করেন। এ ঘটনায় এলাকাবাসীসহ সনাতন সম্প্রদায়ের লোক সাধুবাদ জানিয়েছেন।

সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার গড়ইখালী ইউপির বাইনবাড়িয়ার মিনহাজ নদীর তীরে কাঠালতলায় এক খন্ড সরকারী জমিতে কয়েক যুগ ধরে ঋষি পল্লীতে ৩৬ টি পরিবারেরর ১০০ জনের অধিক নারী-পুরুষ বসবাস করে আসছেন। আর্থিক অনাটন, এলাকাবাসীর অসহযোগিতা, নিজের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের কারণে কয়েক বছর আগে উন্নত জীবন গড়ার আশায় প্রলুব্ধ হয়ে এ সম্প্রদায়ের মানুষ সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রীষ্টান ধর্মে দিক্ষিত হন। কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতেই মোহ কেটে যায়।

গৃহবধু ময়না ও সন্ধ্যা দাশ জানান, সমাজে আমরা খুব অবহেলিত ছিলাম। আমাদের ছেলে-মেয়েদের কেউ ভাল নজরে দেখত না, সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পেতাম না, নানা কারণে আমরা ধর্ম ত্যাগ করি। কিন্তু নতুন মন্দির প্রতিষ্ঠা হওয়ায় আমরা আবার স্ব-ধর্মে ফিরে এসে খুশি হয়েছি।

যশেব মিস্ত্রী বলেন, এলাকাবাসীর আর্থিক অসহযোগিতা ও মাগুরা জেলার পাড়ুয়াখুন গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে উত্তম বিশ্বাসের সহযোগিতা ও এলাকার দেবজ্যোতি বাছাড় (পল্টু) সার্বক্ষনিক তদাকরি করে তারা ১ লাখ টাকা ব্যয় করে এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

গত রবিবার সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে মিরান মাখালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জন্মাষ্ঠমীর আলোচনা সভায় অতিথি উপস্থিত ছিলেন মুরারী গোসাই, গড়ইখালী ইউনিয়ন পূজা কমিটির সভাপতি নিহার সানা, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিজয় রায়, উত্তম বিশ্বাস, বিভাস চন্দ্র সানা, ভবেশ রায়, পরিতোষ মন্ডল, বিপুল মন্ডলসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

Wednesday, August 13, 2014

এইচএসসিতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ভরাডুবি; পাসের হার মাত্র ৬০.৮৫%

উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলফলে এ বছর গড় পাসের হার ৭৮.৩৩ শতাংশ। সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন। সেখানে যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার মাত্র ৬০.৮৫ শতাংশ।

যেখানে অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড পাসের হার :: ঢাকা ৮৪.৫৪ শতাংশ, চট্টগ্রাম ৭০.০৬ শতাংশ, রাজশাহী ৭৮.৫৫ শতাংশ, কুমিল্লা ৭০.১৪ শতাংশ, সিলেট ৭৯.১৬ শতাংশ, বরিশাল ৭১.৭৫ শতাংশ, দিনাজপুর ৭৪.১৪ শতাংশ।

এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৪.০৮ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৫.০২ শতাংশ।

এইচএসসিতে গড় পাসের হার ৭৮.৩৩%; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০৬০২ জন

উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর গড় পাসের হার ৭৮.৩৩ শতাংশ। সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন। দুপুর দেড়টা থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৪.৫৪ শতাংশ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭০.০৬ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৮.৫৫ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭০.১৪ শতাংশ, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১৬ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৭৫ শতাংশ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৪.১৪ শতাংশ ও যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০.৮৫ শতাংশ।


বুধবার সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন।

এ বছর কলেজগুলোতে পাসের হার ৭৫.৭৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৭ হাজার ৭৮৯ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৪.০৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ২৫ জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৫.০২ শতাংশ।

ছেলেদের মধ্যে পাসের হার ৭৭.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ৩৮ হাজার ৭৮৭ জন। মেয়েদের মধ্যে পাসের হার ৭৮.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ৩১ হাজার ৮১৫ জন।

বিগত কয়েক বছর ধরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে। আগামী ১৫ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই এবার ফল প্রকাশ হবে।

গত ৩ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) ও ডিআইবিএস পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় গত ৮ জুন। দশটি বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৪১ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

ইন্টারনেটে ফল ::

পরীক্ষার্থীগণ শিক্ষা বোর্ডসমূহের ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

মোবাইলে ফল ::

যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC অথবা Alim লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

উদাহরণ স্বরুপ :: সাধারণ বোর্ডের জন্য HSC Dha 123456 2014, মাদ্রাসা বোর্ডের জন্য Alim Mad 123456 2014 এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জন্য HSC Tec 123456 লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।