Tuesday, December 26, 2017

পাইকগাছায় পৌঁছেনি বিনামূল্যের শতভাগ বই

বই উৎসবের ৫ দিন বাকি থাকলেও পাইকগাছায় এখনো শতভাগ নতুন পাঠ্যবই পৌঁছেনি। ২০১৮ সালে মাধ্যমিক ও প্রাথমিকের ২৩৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯১০টি নতুন বইয়ের চাহিদা রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী ইতোমধ্যে ৩ লাখ ২৯ হাজার ৪১০টি বই পৌঁছেছে। এখনো বাকি রয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার বই।
পাইকগাছার ১৬৬টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৬১০, যার মধ্যে শতভাগ বই পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর কর্তৃপক্ষ। আর ৫৮টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাহিদা ২ লাখ ৭১ হাজার ৩০০। বই পৌঁছেছে ২ লাখ ৬ হাজার ৮০০। এখনো প্রায় ৬৫ হাজার বই পৌছায়নি বলে জানা গেছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ বই পৌঁছে যাবে বলে ধারণা করছেন সংশিষ্ট মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর কর্তৃপক্ষ।

পাইকগাছা উপজেলায় ১৬৬টি প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুল প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ সব প্রতিষ্ঠানে ২০১৮ সালের নতুন বইয়ের চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৬১০টি। যার মধ্যে প্রথম শ্রেণির ৫ হাজার ৯০০, দ্বিতীয় শ্রেণির ৫ হাজার ৫০০, তৃতীয় শ্রেণির ৫ হাজার ২০০, চতুর্থ শ্রেণির ৫ হাজার ও পঞ্চম শ্রেণির ৪ হাজার ৫৫০টি।
চাহিদার শতভাগ বই ইতোমধ্যে এলাকায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানে বই সরবরাহ করা হচ্ছে এবং বই উৎসবের প্রস্তুতিও চলছে জোরেসরে। আগামী ১ জানুয়ারী বই উৎসবে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশুতোষ কুমার মন্ডল বলেন, আমরা জানতে পেরেছি শতভাগ বই ইতোমধ্যে পৌছে গেছে। আজ কালের মধ্যে চাহিদার সকল বই আমাদের হাতে আসতে পারে।
এদিকে উপজেলায় ৫৮টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে নতুন বছরে বইয়ের চাহিদা রয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩০০টি। যার মধ্যে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৭০ হাজার, ৭ম শ্রেণির ৬৮ হাজার ৬০০, ৮ম শ্রেণির ৬৩ হাজার ও ৯ম শ্রেণির ৬৯ হাজার ৭০০। চাহিদা অনুযায়ী ইতোমধ্যে ২ লাখ ৬ হাজার ৮০০ বই পৌছালেও এখনো বাকী রয়েছে ৬৪ হাজার ৫০০ বই। যার মধ্যে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৪০ হাজার ও ৯ম শ্রেণির ২৪ হাজার ৫০০ বই বাকী রয়েছে।
তবে বই উৎসবের এখনো যে কয়দিন বাকি রয়েছে, তার মধ্যে চাহিদার শতভাগ বই পৌছে যাবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবদীন। উপজেলা মাধ্যমিক এ শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, আশা করছি ১ জানুয়ারী বই উৎসবে সকল শিক্ষার্থীর মাঝে বই বিতরণ করা সম্ভব হবে।
--মোঃ আব্দুল আজিজ, পাইকগাছা।

Monday, December 25, 2017

গড়ইখালী আবাসন প্রকল্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; ১০টি ঘর ভস্মীভূত

পাইকগাছার গড়ইখালী আবাসন প্রকল্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডে ১০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত। আংশিক পুড়ে গেছে আরও ১০টি ঘর। মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।


গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গড়ইখালী বাজার সংলগ্ন শিবসা নদীর পাড়ে আবাসন প্রকল্পে রান্নার চুলার পাশে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে।

পরে স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও এরমধ্যে ১০টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এ ছাড়া ১০টি ঘরের আংশিক পুড়ে যায়।

২০টি পরিবারের বিভিন্ন মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে ১০ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।



পাইকগাছায় রোহিঙ্গা আটক

পাইকগাছায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় ফেরমান নামে এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। আটক রোহিঙ্গা ফেরমান (৬০) কে কক্সবাজার শরণার্থী ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি হয়েছে।



পাইকগাছা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এক রোহিঙ্গা নাগরিক ভিলেজ পাইকগাছার মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড মোড়ে ঘোরাঘুরি করছিল। তার সাথে দুটি বস্তা ছিল। এ সময় তার গতিবিধি দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

তার ভাষা বোঝা না যাওয়ার কারণে কাগজ কলম দিয়ে তার পরিচয় জানান চেষ্টা করি। এলোমেলো লেখা মিলিয়ে পরিচয় জানা যায়, সে মায়ানমারের নাগরিক, তার নাম ফেরমান, পিতা- আরমুন, গ্রাম- বাউনডরিং। 

পরে দুপুর দেড়টার দিকে ফেরমানকে চট্টগ্রামগামী বাসযোগে কক্সবাজারের কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্প পুলিশের নিকট ফেরত পাঠানো হয়। এ ঘটনায় থানায় জিডি হয়েছে, যার নং- ১১৪৪, তারিখ- ২৫/১২/১৭।