পাইকগাছা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ
আসাদুল ইসলামের পক্ষ থেকে সরল দীঘির পাড় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জহুরা জব্বার
কিন্ডার গার্টেন স্কুলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
করা হয়েছে। বুধবার সকালে গোপালপুর ও সরলস্থ দু’শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
পৃথকভাবে এ উপকরণ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে দু’শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৬ জন
মেধাবী শিক্ষার্থীকে খাতা ও কলম প্রদান করা হয়।
Wednesday, April 10, 2013
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে চিঠি লিখেছে অসংখ্য শিক্ষার্থী
উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি
পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে চিঠি
লিখেছে অসংখ্য শিক্ষার্থী। চিঠিগুলো হুবহু তুলে দেওয়া হলো:
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী,
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমরা ছাত্রলীগ না, ছাত্রদল না, শিবির না, এমনকি নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষী ব্লগারও না! আমরা এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আমরা কি অন্যায় করেছি? আমাদের উপর কেন এই অত্যাচার? প্লিজ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করুন। আমরা ২০১৩ সালের পরীক্ষার্থী হয়ে কি অন্যায় করছি? আগামী ১১ এপ্রিলের পরীক্ষা ১৯ তারিখে হবে।
১৮ তারিখে উদ্ভিদ বিজ্ঞান পরীক্ষা। ১৯ তারিখে পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, ২১ তারিখে প্রাণিবিজ্ঞান পরীক্ষা মানবিক, কমার্স, ফাজিল বিভাগের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানি না। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বিষয়টা অত সোজা না। বইয়ে মোট ১৯টা অধ্যায়, গাণিতিক সমস্যাসহ তত্ত্বীয় ১৯টা অধ্যায় ১ ঘণ্টা করে রিভাইজ দিলেও লাগবে ১৯ ঘণ্টা! অথচ উদ্ভিদবিজ্ঞান পরীক্ষা দিয়ে এসে খাওয়া নাওয়া বাদ দিয়েও সর্বোচ্চ সময় পাওয়া যাবে ১৪ ঘণ্টা। আমরা কিভাবে পরীক্ষার প্রিপারেশন নেবো?? প্লিজ আমাদের উপর এই অবিচার করবেন না। আমাদের লাইফটা এভাবে নষ্ট করে দেবেন না। ১৯ তারিখের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করুন। এটা রসায়ন ১ম পত্র পরীক্ষার পরে যে কোন একদিন নিন, নতুবা মে মাসের যেকোন দিনে নিন।
বিরোধীদল/ সরকারি দল শিক্ষিত না অশিক্ষিত তার প্রশ্নে যাবো না। কিন্তু আমাদের শিক্ষিত করে তোলা ও যথাযথভাবে পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব আপনাদেরই। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় হলে তার দায় আপনাদের উপরই বর্তাবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভবিষ্য কর্ণধারদের জীবন।
তাই, বিনীত অনুরোধ আমাদের সমস্যাকে বিবেচনা করুন ও এ জন্য আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
নিবেদক,
এইচএসসি পরীক্ষার্থীবৃন্দ, ২০১৩ শিক্ষাবর্ষ
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী,
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমরা ছাত্রলীগ না, ছাত্রদল না, শিবির না, এমনকি নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষী ব্লগারও না! আমরা এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আমরা কি অন্যায় করেছি? আমাদের উপর কেন এই অত্যাচার? প্লিজ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করুন। আমরা ২০১৩ সালের পরীক্ষার্থী হয়ে কি অন্যায় করছি? আগামী ১১ এপ্রিলের পরীক্ষা ১৯ তারিখে হবে।
১৮ তারিখে উদ্ভিদ বিজ্ঞান পরীক্ষা। ১৯ তারিখে পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, ২১ তারিখে প্রাণিবিজ্ঞান পরীক্ষা মানবিক, কমার্স, ফাজিল বিভাগের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানি না। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বিষয়টা অত সোজা না। বইয়ে মোট ১৯টা অধ্যায়, গাণিতিক সমস্যাসহ তত্ত্বীয় ১৯টা অধ্যায় ১ ঘণ্টা করে রিভাইজ দিলেও লাগবে ১৯ ঘণ্টা! অথচ উদ্ভিদবিজ্ঞান পরীক্ষা দিয়ে এসে খাওয়া নাওয়া বাদ দিয়েও সর্বোচ্চ সময় পাওয়া যাবে ১৪ ঘণ্টা। আমরা কিভাবে পরীক্ষার প্রিপারেশন নেবো?? প্লিজ আমাদের উপর এই অবিচার করবেন না। আমাদের লাইফটা এভাবে নষ্ট করে দেবেন না। ১৯ তারিখের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করুন। এটা রসায়ন ১ম পত্র পরীক্ষার পরে যে কোন একদিন নিন, নতুবা মে মাসের যেকোন দিনে নিন।
বিরোধীদল/ সরকারি দল শিক্ষিত না অশিক্ষিত তার প্রশ্নে যাবো না। কিন্তু আমাদের শিক্ষিত করে তোলা ও যথাযথভাবে পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব আপনাদেরই। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় হলে তার দায় আপনাদের উপরই বর্তাবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভবিষ্য কর্ণধারদের জীবন।
তাই, বিনীত অনুরোধ আমাদের সমস্যাকে বিবেচনা করুন ও এ জন্য আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
নিবেদক,
এইচএসসি পরীক্ষার্থীবৃন্দ, ২০১৩ শিক্ষাবর্ষ
Subscribe to:
Posts (Atom)

