Wednesday, June 19, 2013

খুলনার ১০ জেলায় পরিবহণ ধর্মঘট অব্যাহত, দুর্ভোগে যাত্রীরা

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে পরিবহণ ধর্মঘট। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। আঞ্চলিক রুটে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও দূরপাল্লার কোনো গাড়ি ছাড়েনি। 

বেতন-ভাতা বাড়ানোসহ ১৩ দফা দাবিতে সোমবার সকাল থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক কমিটি অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের ডাক দেয়। রোববার মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে শ্রমিকরা এ নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ধর্মঘটি রুটের জেলাগুলো হলো বাগেরহাট, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর, নড়াইল এবং সাতক্ষীরা।

বাংলাদেশ পরিবহণ সংস্থা শ্রমিক সমিতির সভাপতি আজিজুল আলম মিন্টু জানান, শ্রমিকরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের বেতন ও খোরাকি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। প্রায় তিন মাস আগে এ নিয়ে আলটিমেটামও দেন তারা। রোববার মালিক সমিতির নেতারা শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনায়ও বসেছিলেন। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সে সভা শেষ হয়। এজন্য শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে সোমবার সকাল থেকে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকে ঢাকাগামী সব পরিবহণ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। তবে অন্যান্য রুটে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও শ্রমিক নেতা মিন্টু উল্লেখ করেন।

তিনি আরো জানান, শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশ পরিবহণ সংস্থা শ্রমিক সমিতিরি সাধারণ সম্পাদক মোর্ত্তজা হোসেন জানান, চট্রগ্রাম রুটে একই পরিবহণ মালিকরা চালককে যাওয়া-আসা বাবদ বেতন-ভাতা মিলিয়ে এক হাজার ২০০ টাকা দেন। সুপারভাইজার পান ৩৫০ টাকা আর হেলপার পান ৩৭০ টাকা। এছাড়া তারা বিনামূল্যে খাবার পান। সেখানে যশোর-খুলনা অঞ্চলের পরিবহণ চালকরা পায় মাত্র ৯৫০ টাকা, সুপারভাইজার ৩৫০ আর হেলপার ৩৭০ টাকা। আমরা চালকদের ২০০ টাকা এবং সুপাভাইজার ও হেলপারের বেতন-ভাতা ১০০ টাকা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছি।

তবে আন্তঃজেলা বাস মালিক সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক ও ঈগল পরিবহণের স্বত্তাধিকারী পবিত্র কাপুড়িয়া জানান, চট্রগ্রাম রুটে কোনো ফেরি নেই। অথচ খুলনা-ঢাকা রুটে গাড়িপ্রতি চার হাজার টাকা ফেরি চার্জ পরিশোধ করতে হয়। তারপরও আমরা চালক প্রতি ট্রিপে ১৭৫ টাকা, সুপারভাইজার ও হেলপার প্রতি ৫০ টাকা বাড়াতে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু শ্রমকিরা তাতে রাজি হয়নি। এখন শ্রমিকদের দাবি পুরোপুরি মানলে প্রতি ট্রিপে লোকসান গুণতে হবে।

খুলনায় ২০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন

২০ দিনব্যাপী খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৩ মঙ্গলবার নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে শুরু হয়েছে। ‘‘গাছ লাগিয়ে ভরবো এ দেশ, তৈরী করবো সুখের পরিবেশ” শ্লোগান নিয়ে এই বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুল জলিল। জেলা প্রশাসন, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ বৃক্ষমেলার আয়োজন করছে।


কপিলমুনি প্রেসক্লাব নির্বাচনে ৯টি পদে মনোনয়ন পত্র বিক্রয়

কপিলমুনি প্রেস ক্লাবের কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন’১৩ এর তপশীল অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ৯টি পদে একটি করে মনোনয়ন পত্র বিক্রি হয়েছে। এতে সভাপতি পদে শেখ সালাম, সহ-সভাপতি পদে এস এম আঃ রহমান, সাধারণ সম্পাদক পদে মুন্সি রেজাউল করিম মহব্বত, সহ-সম্পাদক পদে আমিনুল ইসলাম বজলু, কোষাধ্যাক্ষ পলাশ কর্মকার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পদে জি এম মোস্তাক আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক পদে জি এম হাসান ইমাম এবং কার্যকরী সদস্য দুটি পদে এস এম লোকমান হেকিম ও মহাদেব সাধু মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেন।

১৯ জুন বুধবার মনোনয়ন পত্র জমা ও বাছাই এবং ২০ জুন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের দিন রয়েছে। প্রেস ক্লাব ভবনস্থ নির্বাচন কমিশনের কার্যলয় থেকে নির্ধারিত জামানাত জমানিয়ে মনোনয়ন পত্র বিতারণ করা হয়। কপিলমুনি কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ সহর আলী গাজী প্রধান নির্বাচন কমিশনার, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষক হরেকৃষ্ণ দাশ ও কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আখতার শম্পা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করেন।