Wednesday, February 26, 2014

দাপটের সাথে চলাচল করছে অবৈধ যানবাহন, কেড়ে নিচ্ছে তাজা প্রাণ

খুলনা-পাইকগাছা ও পাইকগাছা-কয়রা প্রধান সড়কসহ দু’উপজেলার অভ্যন্তরীণ সব রুটে দাপটের সাথে চলাচল করছে অবৈধ যানবাহন। শ্যালো ইঞ্জিনের সাথে লাগসই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে নসিমন-করিমন নামধারী এসব যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে রয়েছে উচ্চাদালতের সরাসরি নিষেধাজ্ঞা। 

তা সত্বেও পুলিশের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনীতিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরোক্ষ মদদে দুর্বার গতিতে চলছে এসব যানবাহন। ফলে সরকার একদিকে যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ এসব যানবাহন হরহামেশাই কেড়ে নিচ্ছে তাজা প্রাণ। আবার প্রাণে বেঁচে গেলেও পঙ্গুত্ব বরণ করতে হচ্ছে অসংখ্য নিরীহ মানুষকে।

সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, গত সপ্তায় পাইকগাছা-কয়রা ভায়া চাঁদখালী সড়কের মাঠামের গেট নামক স্থানে দু’টি নসিমন ক্রস করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় ফরহাদ হোসেন (২৫) নামের এক নসিমন যাত্রীর বাম পা হাটুর নিচ থেকে কেটে পড়ে যায়। বর্তমানে গুরুতর আহতাবস্থায় খুলনার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

এরও সপ্তাহখানেক আগে একই সড়কের চাঁদখালী স্লুইস গেটের সন্নিকটে যাত্রী ছাড়াই একটি নসিমন পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশে পড়লে চালক মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।

পাইকগাছা-কয়রার অভ্যন্তরীণ সকল সড়কে অবৈধ নসিমন-করিমনের দৌরাত্ম উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাস্তায় এতটাই অস্বাভাবিক গতিতে এসব নসিমন চলাচল করে যে, অন্যান্য যানবাহন তো’ দূরের কথা সাধারণ পথচারীরাও নিরাপদে হাটতে পারে না ফুটপাত দিয়ে। প্রতিদিন-প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সড়কে নসিমন-করিমনের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকলেও এদের গতি কমানো সম্ভব হয়ে উঠছে না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এমন কোন দিন নেই যেদিন নসিমন দুর্ঘটনায় কেউ না কেউ হাসপাতালে আসে না। শতভাগ অবৈধ এই নসিমন-করিমন রাস্তায় চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা না গেলেও জরুরীভাবে এর গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল।

কয়রায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাই নিহত

কয়রায় সড়ক দুর্ঘটনায় কবির হোসেন ও আজমল হোসেন নামে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কয়রা থানার সংগ্রামের মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুই ভাই কয়রা থানার শরিষামুট এলাকার আলী সরদারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, আজমল হোসেন ও কবির হোসেন খুলনা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ির দিকে আসছিল। অপরদিকে একটি পিকাপ খুলনার উদ্দেশ্যে কয়রা থেকে ছেড়ে আসে। সংগ্রামের মোড়ে আসলে পিকাপের ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি পাশে একটি খাদে পড়ে তারা নিহত হয়েছেন।

কয়রা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) আব্দুল গনি বলেন, এ দূর্ঘটনা সম্পর্কে তাদের কাছে কোন তথ্য নেই।

Tuesday, February 25, 2014

বিরল রোগে আক্রান্ত আবুল বাজাদার বাঁচতে চায়

পাইকগাছায় বিরল রোগে আক্রান্ত আবুল বাজাদার (২৫) বাঁচতে চায়। সে দীর্ঘদিন বিরল এ রোগে ভূগছে, তার অপারেশনের জন্য ৫ লাখ টাকার প্রয়োজন। এ জন্য সে সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা কামনা করেছে। 

জানা গেছে, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড সরল গ্রামের মোঃ মানিক বাজাদারের পুত্র মোঃ আবুল বাজাদারের প্রায় ৬/৭ বছর পূর্বে সকল হাতে-পায়ে আঁচুলি হলে প্রথমে সে মঠবাটিস্থ ডাঃ তপনের নিকট হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহন করে। এতে সে আরোগ্য লাভ না করে উল্টো বিরল এ রোগটি আবুলের দু’হাত ও পায়ে তালগাছের পাতার মত ও শিকড়ের মত বাঁকানো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

সে দেশের বিভিন্ন ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হয়ে অবশেষে প্রতিবেশি দেশ ভারতের বেলভিউ ক্লিনিকের ডাঃ অমরেশ কুমারের নিকট চিকিৎসাধীন রয়েছে। এখানে পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মাদ্রাজে অপারেশনের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

অপারেশন করতে এখন তার প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা। যা হতদরিদ্র আবুল ও তার পরিবারের পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব নয়। এ জন্য সে দেশ-বিদেশের বিত্তবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছে। তার সাহায্যের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পাইকগাছা শাখা ব্যবস্থাপক মাগফুরুর রহমান। 


 
সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা:

আবুল বাজাদার

সঞ্চয়ী হিসাব নং-১১৯৯৮
ইসলামী ব্যাংক, পাইকগাছা শাখা
মোবাইল নং: ০১৯১৮-৫৯৬৭২১