পাইকগাছা পৌরসভার ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে
চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করছেন সীমাহীন
দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে।
সরেজমিন দেখা গেছে, ৫নং ওয়ার্ডস্থ সরল
গ্রামের পেট্রোল পাম্পের সামনের পুকুরের পূর্ব-পাড়ের ইটের সলিং রাস্তার ইট
উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত রাস্তার একটু সামনে (পূর্বদিকে) এগিয়ে
জনৈক আঃ রহিমের পুকুর পাড় সংলগ্ন রাস্তার ইট উঠে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটির এ বেহাল দশা হওয়া সত্বেও সংস্কারের ব্যাপারে
পৌর কর্তৃপক্ষ নীরব।
একই ওয়ার্ডের আল-আমিন মসজিদ সংলগ্ন ইটের
রাস্তাটিরও একই হাল। প্রায় ৩/৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তায় বিশেষ করে বর্ষা
মৌসুমে চলাচল করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বলে এলাকাবাসী জানান।
এছাড়া এফ,
রহমান মহিলা কলেজের (পূর্বদিকে) সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ইটের রাস্তাটি
একদিকে যেমন সরু তেমনি ইট উঠে গিয়ে বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারী
আবাসন প্রকল্পসহ স্থানীয় কয়েকশ’ এলাকাবাসী প্রতিনিয়ত এ ভাঙাচুরা রাস্তা
দিয়ে চলাচল করছে।
এদিকে, ৬নং ওয়ার্ডের বাতিখালী গ্রামের কোর্ট
সংলগ্ন রাস্তাটি অদ্যবধি সংস্কার না করায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ইট
উঠে গিয়ে নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে ভীষণ দুর্ভোগ পোহাতে
হচ্ছে।
একই ওয়ার্ডের কোর্ট মসজিদ সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় ঢোকার রাস্তাটিরও বেহাল অবস্থা। ইটের সলিং উঠে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৬ নং ওয়ার্ডের এ ইটের রাস্তা দু’টি একটু ভারী বৃষ্টি
হলেই পানিতে তলিয়ে যায়। সে সময় যাতায়াত করতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।
রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সেলিম নেওয়াজ’এর সাথে কথা
হলে জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন,
পরিষদের মাসিক সভায় বারবার এই রাস্তা দু’টির কথা উল্লেখ করা সত্বেও রাস্তা
মেরামত বা নির্মাণের ব্যাপারে কোন কার্যকরি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। তিনি এ
ব্যাপারে Voice of Paikgacha'য় বেশি বেশি করে লেখালেখি করার অনুরোধ জানান।
এ প্রসঙ্গে পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, বাজেট অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে রাস্তা সংস্কার কাজ করা হচ্ছে।