Thursday, July 2, 2015

পাইকগাছা উপজেলা খাদ্য গুদামে নিম্নমানের চাল-গম সংগ্রহের অভিযোগ

আত্মসাৎকৃত টাকার পরিমান প্রায় ৭ লাখ !


পাইকগাছা উপজেলা খাদ্য গুদামে নিম্নমানের চাল-গম সংগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সামান্য কিছু ভালো মানের চাল-গমের বস্তার আড়ালে গুদামজাত করা হয়েছে এসব নিম্নমানের চাল-গম।

সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে টিআর/কাবিখা প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলায় চাল ১৫৫ টন ও ৮৬ টন গম সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ হয়। উপজেলার ৭ জন মিল মালিক উক্ত ১৫৫ টন চাল সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে বরাদ্দকৃত ৮৬ টন গম সংগ্রহের কথা। সরকারি ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় চাল প্রতি কেজি ৩২ টাকা আর গম প্রতি কেজি ২৮ টাকা। 

ছবি :: ফাইল ফটো
তবে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম ও চুক্তিবদ্ধ মিল মালিকরা পুরানো চাল কমদামে সংগ্রহ করে ওই চাল আঠারমাইল-যাতপুর এলাকার প্রসেসিং মিলে নিয়ে মিলিং করে পাইকগাছা উপজেলা খাদ্যগুদামে রাখেন। এদিকে একই সময়ে এলাকায় মাইকিং করে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে বরাদ্দকৃত ৮৬ টন গম সংগ্রহের কথা থাকলেও স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বেশিরভাগ নিম্নমানের পুরানো গম সংগ্রহ করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, প্রতি কেজি চাল ৩২ টাকার স্থলে ৪ টাকা কমে ২৮ টাকায় ক্রয় করা হলে ১৫৫ টনে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দোহাই দিয়ে মিল মালিকদের কাছ থেকে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম প্রতি টনে ৫০০ টাকা করে ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করেছেন। 

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নিম্নমানের চাল-গমের বস্তাগুলো কিছু ভালো মানের চাল-গমের বস্তা দিয়ে আড়াল করে রাখা হয়েছে। যা সঠিকভাবে তদন্ত করা হলে বিষয়টি ধরা পড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য গুদামের এক কর্মচারী বলেন, খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা অফিস স্টাফদের সাথেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থাকেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খাদ্য বিভাগে এত বড় দুর্নীতি করার সুযোগ আছে বলে আমার জানা নেই।

--এম, আর মন্টু, পাইকগাছা।

Tuesday, June 30, 2015

শুভ জন্মদিন চেয়ারম্যান এ্যাড. স ম বাবার আলী !

আজ পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. স ম বাবার আলী‘র ৬৬ তম জন্মদিনে 'ভয়েস অফ পাইকগাছা'র পক্ষ থেকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ আর অভিনন্দন ! (জন্ম :: ১৯৪৯ সালের ৩০ জুন)

শুভ হোক আপনার এবং আপনার হাত ধরে পাইকগাছার ! --এই কামনায় 'ভয়েস অফ পাইকগাছা'

পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. স ম বাবার আলী

Tuesday, June 23, 2015

পাইকগাছার কপিলমুনিতে জমজমাট প্রাইভেট কোচিং বাণিজ্য

ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠছে কোচিং সেন্টার !


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পাইকগাছার কপিলমুনিতে প্রাইভেট কোচিং বাণিজ্য জমজমাট হয়ে উঠেছে। রংবেরংয়ের সাইনবোর্ড লাগিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হচ্ছে কোচিং সেন্টারগুলো। ফলে প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তসহ বিভিন্নভাবে প্রতারিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, কপিলমুনি সদরে বিভিন্ন স্থানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে বর্তমানে কোচিং ব্যবসা জমজমাট করে তুলেছে এক শ্রেণির স্বল্প শিক্ষিতরা। কোন কোন কোচিং সেন্টার কর্তৃপক্ষ সাইনবোর্ড না লাগিয়ে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে চলেছে। অধিকাংশ কোচিং-এর শিক্ষকরা পাঠদানে অদক্ষ আর উচ্চ শিক্ষিত নয়। দু’একটি সার্টিফিকেট নিয়ে তারা কোচিং সেন্টারের শিক্ষক হয়ে বসে আছেন। বিভিন্ন ধরনের আকর্ষনীয় বুলি দিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিংগামী করে থাকেন। 

এ সকল শিক্ষকদের মধ্যে ভাল টিচিং পদ্ধতি নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যা অর্জনের একটা নিয়মিত মুল্যবান সময় কোচিং-এ কাটিয়ে দিলেও কখনও কখনও ফল হচ্ছে শূণ্য। মনে আশার ডালী নিয়ে সুশিক্ষা লাভের আশায় অর্থের বিনিময়ে প্রাইভেট কোচিং করলেও শিক্ষার্থীরা স্কুলের পরীক্ষায় ভাল ফল করতে পারছে না। ভুল শিক্ষা আবার কখনও ভুল সাজেশন শিক্ষার্থীদের ফেলে দিচ্ছে বিপাকে। যা একজন শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। 

অভিযোগ রয়েছে, কপিলমুনি ও হরিঢালী ইউনিয়নের অধিকাংশ স্কুল কলেজের কতিপয় শিক্ষকরাও প্রাইভেট পড়িয়ে থাকেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাসের নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে ও পরে ছাত্র-ছাত্রী ম্যানেজ করে, কখনও বাড়ি, আবার কখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বসেই প্রাইভেট পড়াচ্ছেন তারা। 

সুত্রের দাবী, কোন কোন শিক্ষক ক্লাসে ভাল করে পাঠদান করেন না। বাধ্য হয়ে তাই ওই সকল শিক্ষকদের কাছ থেকে ভাল করে পড়তে হলে মাসিক চুক্তিতে মোটাংকের অর্থ গুনতে হয়।

এভাবেই চলছে এলাকার প্রাইভেট কোচিং বানিজ্য, কিন্তু দেখার যেন কেই নেই। অনতিবিলম্বে প্রাইভেট কোচিং সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন সচেতন মহল।