Saturday, July 11, 2015

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস; পাইকগাছায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৬৬%

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ


পাইকগাছায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। বর্তমানে উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার ৮০% এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৬৬%। যা জাতীয় হারের চেয়েও অনেক কম। 

এদিকে আজ ১১ জুলাই, শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী সহ বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে বলে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস,এম, কবির হোসেন জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, উপজেলায় মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। যার মধ্যে সক্ষম দম্পতি ৫৬ হাজার ২৪৪ জন। মোট সক্ষম দম্পতিদের মধ্যে জুলাই’১৪ হতে জুন’১৫ পর্যন্ত গত ১ বছরে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করেছে ৪৫ হাজার ৭৯৮ জন। একই সময়ে স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করেছে ৭ হাজার ৯৪৭ জন। যার মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৮৪৪ এবং মহিলা ৬ হাজার ১০৩। খাবার বড়ি গ্রহণকারী ২৩ হাজার ৬৭৯ জন নারী। কনডম ব্যবহার করেছে ১ হাজার ৬৮৭ জন। আইইউডি ১ হাজার ১৭৮ জন। ইমপ্লান্ট ৩ হাজার ৯১ জন ও ইনজেকটেবল ৮ হাজার ২১৬ জন। 

সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, মাঠকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সকলের অব্যাহত প্রচেষ্টায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হয়েছে বলে জানান উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী। তিনি বলেন, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির জাতীয় হার যেখানে ১.০৩%, সেখানে পাইকগাছার হার ০.৬৬%। 

সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পাইকগাছা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যা দেশের রোল মডেল হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হক।

Thursday, July 9, 2015

পাইকগাছায় অস্ত্রসহ বনদস্যু আটক

পাইকগাছায় অস্ত্রসহ এক বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। আটক বনদস্যু বাবলু (৩৬) পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের শান্তা গ্রামের মুজিবর সানার ছেলে।

বুধবার শেষ বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএডি আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে র‌্যাব-৬ অভিযান চালিয়ে পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের পারবয়ারঝাপা ফকিরপাড়া জামে মসজিদের সামনে থেকে একটি দেশী পিস্তল’সহ বাবলুকে হাতে-নাতে আটক করে।


এ ঘটনায় থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবু সাঈদ জানান। যার নং- ৯, তারিখ- ৮/০৭/২০১৫। আটক বাবলু সুন্দরবনের অভ্যন্তরে দস্যুতার কাজে জড়িত থাকার কথা র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছে বলে পাইকগাছা থানার ওসি আশরাফ হোসেন জানান।

Wednesday, July 8, 2015

পাইকগাছায় আ’লীগের সাবেক চেয়ারম্যান কর্তৃক বর্তমান চেয়ারম্যানকে জুতা পেটা

৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ; ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন


পাইকগাছায় আ’লীগের বর্তমান ও সাবেক দু’ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে জুতা পেটা, বাড়িতে হামলা ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দু’পক্ষের কেউ অভিযোগ না করলেও থানায় জিডি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পূর্ব ঘটনার জের ও দু’নেতার নেতৃত্ব কর্তৃত্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নতুন বাজারস্থ আ’লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব নিয়ে নব্য আ’লীগ নেতা গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চু ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গীর মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। 

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ জুন আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এর আগের দিন সন্ধ্যায় গদাইপুর ইউনিয়ন আ’লীগের এক প্রস্তুতি মূলক সভা আহবান করা হয়। সভায় কর্মসূচীতে কে কি পরিমাণ লোক সমাগম ঘটাতে পারবে এমন প্রশ্ন দু’নেতা একে অপরকে ছুড়ে দেয়। এমন প্রশ্ন একাধিকবার করার পর কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চু উত্তেজিত হয়ে আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গীকে জুতা মারতে উদ্যত হয়। 

এরই জের ধরে ঘটনার দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে ইফতারী শেষে উঠে আসার সময় সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চুকে জুতা পেটা করে। এর কিছুক্ষণ পর মলঙ্গী বাড়ী চলে গেলে বাচ্চুর দুই পুত্র ও সমর্থকরা মলঙ্গীর বাড়ীর সামনে গিয়ে জড়ো হয়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে মলঙ্গী ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। 

ঘটনার পর উদ্ভুত পরিস্থিতি থেকে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে ঐ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় ঐ রাতেই থানায় জিডি হয়েছে। 

এ ব্যাপারে ওসি আশরাফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় দু’পক্ষের কেউ এখনও পর্যন্ত অভিযোগ করেনি। তবে এ ঘটনায় আর কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা যাতে না ঘটতে পারে এ জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে। 

বিষয়টি এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।