Tuesday, August 22, 2017

নির্মাণের এক যুগ পর পাইকগাছায় পোনা মার্কেটের উদ্বোধন

পাইকগাছায় নির্মাণের এক যুগ পর পোনা মার্কেটের উদ্বোধন করলেন খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ। মঙ্গলবার দুপুরে পাইকগাছা পোনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ সাজ্জাত আলী সরদারের সভাপতিত্বে ও জেলা যুবলীগ নেতা সাবেক কমিশনার শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত’র পরিচালনায় উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে শেখ হারুনুর রশিদ এলাকার চিংড়ি সংশ্লিষ্ট মানুষসহ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে সরকারী নীতিমালা অনুসরণ করে পোনা আহরন করে বেকার সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ দিয়ে নিজেদেরকে ও দেশকে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার আহ্বান জানান।








অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি এএফএম মাকসুদুর রহমান, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. শেখ মোহাঃ শহীদ-উল্লাহ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক অধ্যাপক নিমাই রায়, মহিলা আ’লীগ সম্পাদক হালিমা ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য আঃ মান্নান গাজী ও জয়ন্তী রানী সরকার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরন কুমার সাধু, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্র নাথ রায়, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিঃ এর সভাপতি মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মাহাবুবুর রহমান রঞ্জু, মাসুমা খাতুন।

উপস্থিত ছিলেন পোনা সমিতির সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে গোলাম ফারুক বুলু, গাজী মোহাম্মদ আলী, শিবপদ মন্ডল, শেখ ফজলুর রহমান, বাবুরাম মন্ডল, বিনয় মন্ডল, ইলিয়াস হোসেন, কনেক সরকার, অলকেশ ঢালীসহ অনেকে।

পাইকগাছায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান; জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় অংশগ্রহন

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড। মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত পাকিস্তানি দোসররা স্বাধীনতার পরও তাদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখে। যার অংশ হিসাবে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট পাকিস্তানের মদদপুষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ওই চক্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরও ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে থাকেনি। পৃথিবীর সবচেয়ে ন্যাক্কার জনক এ হত্যা কান্ডের বিচারের পথও বন্ধ করে দিয়েছিল। এমন কি আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে খালেদা, তারেক ও নিজামী চক্ররা ২০০৫ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করে। আল্লাহর রহমত ও দেশের কোটি কোটি মানুষের দোয়ায় সেদিন শেখ হাসিনা বেঁচে গিয়ে ছিলেন। আজও ষড়যন্ত্রকারীরা তৎপর রয়েছে উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে সোচ্চার থেকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি মঙ্গলবার বিকালে পৌর চত্ত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পাইকগাছা পৌরসভা আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা, সহ-সভাপতি গাজী মোহাম্মদ আলী ও এএফএম মাকসুদুর রহমান, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ শেখ মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ্যাডঃ নিমাই চন্দ্র রায়, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ নব কুমার চক্রবর্তী, জেলা সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান, জেলা পরিষদ সদস্য জয়ন্তী রানী সরকার, আব্দুল মান্নান গাজী, জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সরদার জাকির হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জামিল খান, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, রিপন কুমার মন্ডল, দিবাকর বিশ্বাস, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, আমির আলী গাইন, আ’লীগনেতা গাজী রফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান, আকতারুজ্জামান সুজা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুনছুর আলী গাজী। প্রভাষক মাসুদুর রহমান মন্টু ও যুবলীগ নেতা প্রণব কান্তি মন্ডলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মহিলা আ’লীগের সভাপতি মাসুমা বেগম, পৌর সভাপতি জুলি শেখ, ছাত্রলীগ নেতা এসএম মশিয়ার রহমান, মেহেদী হাসান, তানজিম মোস্তাফিজ বাচ্চু, মাসুদ পারভেজ রাজু ও রায়হান পারভেজ রনি।

এর আগে প্রধান অতিথি শেখ হারুনুর রশীদ উপজেলার সীমান্ত পৌঁছালে হাজার হাজার নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় পরিদর্শন শেষে পৌর সদরের পোনা ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্মিত মার্কেটের উদ্বোধন করেন। ব্যবসায়ী সাজ্জাত আলী সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির উপদেষ্টা মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, কাউন্সিলর শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এসএম শামছুর রহমান সহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

Monday, August 21, 2017

নদীর পানি বৃদ্ধি : ঝুঁকিতে খুলনার নিম্নাঞ্চলের বেড়িবাঁধ

নদীতে বিপদ সীমার ওপরে পানির বৃদ্ধির চাপে ঝুঁকিতে খুলনার নিম্নাঞ্চলের ভেড়িবাঁধ। আজ থেকে শুরু অমাবশ্যা, ফলে আগামী তিন দিন অতিরিক্ত পানির চাপে আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছে উপকূলবাসী। আজ থেকে খুলনা অঞ্চলের দশ নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাবে।

এমনি পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। উপকূলীয় এলাকা  কয়রা ,বটিয়াঘাটা, দাকোপ, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ঝুঁকিতে রয়েছে। জান-মালের রক্ষার্থে রবিবার জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় বাঁধ সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


পাউবো’র হাইড্রোলজি উপ-বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল আলিম খান বলেন, গতকাল রবিবার রূপসা নদীতে পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ৩ দশমিক ৪১ মিটার, শনিবার ছিল ৩ দশমিক ২৩ মিটার। চলতি বছর পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ৩ দশমিক ৪৩ মিটার। চলতি আমাবশ্যায় এ রেকর্ড ভাঙবে। সাধারণত ২ দশমিক ৫৯ মিটারকে বিপদসীমা ধরা হয়। 

তিনি জানান, আজ সোমবার থেকে পানির উচ্চতা দেড় থেকে দুই মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। উপকূলীয় বাঁধগুলোর গড় উচ্চতা সাড়ে তিন মিটার হওয়ায় ওই সময় জোয়ারে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

এছাড়া উপকূলের নদীগুলোতে পানি বাড়বে বলে জানান তিনি। রূপসা নদীতে পানির স্বাভাবিক উচ্চতা ২ দশমিক ৫০ মিটার। নদীর ঢেউয়ের গড় উচ্চতাকে শূন্য ধরে নদীর পানি পরিমাপ করা হয় পাউবো। বিপদসীমার ওই মাপ পাকিস্তান আমলের, বর্তমানে ভেড়িবাঁধ তখনকার চেয়ে অনেক উঁচু। সে জন্য দুশ্চিন্তার কিছু নেই বলে তিনি জানান।

পাউবো’র তথ্য অনুযায়ী, রূপসা, ভৈরব, পশুর ও সিবসা নদীতে পানির চাপ বেড়েছে  তবে মংলার মিটারগেজ দু’টি দীর্ঘদিন বিকল থাকায় সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের নদীর পানি বৃদ্ধির পরিমাণ পরিমাপ করা সম্ভব হচ্ছে না। এবার অমাবশ্যার জোয়ারে পানির চাপ বাড়বে এমনি আশঙ্কা উপকুলবাসীর।

সূত্র জানায়, পাউবো’র খুলনা-১-এর অধীনে ৩৬৫ দশমিক ২৪ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধের ১০৯ কিলোমিটার সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ। পাউবো খুলনা-২ এর অধীনে ৫১০ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধের মধ্যে ৪৫ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ। বাগেরহাটের ৩১৮ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধের মধ্যে প্রায় ৬০ কিলোমিটার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া প্রায় ৪০ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধ নিচু হয়ে গেছে। ভরা জোয়ারের সময় বাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। সাতক্ষীরা পাউবো’র ৭৯৯ দশমিক ১০ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধের মধ্যে ২১০ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধই ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোন সময়ে ভেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হতে পারে বিশাল এলাকা। দেখা দিতে পারে মারাত্মক বিপর্যয়।

বন্যা পুর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের দেওয়া তথ্য মতে, গতকাল রবিবার সকাল ৯টায় জোয়ারের সময় পশুর নদীর পানি এক দশমিক ২৫ মিলিমিটার উচ্চতা ছিল। মঙ্গলবারের অমাবশ্যার প্রভাব আজ সোমবার পড়তে শুরু করবে। ফলে ভৈরব, রূপসা, শিবসা, পশুর, কপোতাক্ষ, ইছামতি, কালিন্দি, শাকবাড়িয়া, নবগঙ্গা নদীর পানি জোয়ারের সময় বৃদ্ধি পাবে। 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানি পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল কাইয়ূমের কাছে জানতে চাইলে বলেন, সোমবার দুপুর থেকে অমাবশ্যার প্রভাব পড়বে, জোয়ারের উচ্চতা বড় হবে। এসব নদ-নদীতে এক দশমিক পাঁচ মিটারের পরিবর্তে সোম, মঙ্গল ও বুধবার এক দশমিক ৩৫ মিলিমিটার বাড়তে পারে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে বলে তিনি পূর্বাভাস দিয়েছেন।

সাতক্ষীরা পাউবো’র আওতাধীন খুলনা জেলার কয়রার গোলখালী গ্রামের মোঃ তসলিম মোল্লা বলেন, “বসবাস করি খুলনা জেলার মধ্যে, কিন্তু আমাদের ভেড়িবাঁধ সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায়। তারা আমাদের ভেড়িবাঁধ সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ ৫ কিলোমিটার ভেড়িবাঁধ এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে একটু সংস্কার করেছি। যে কোন মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে আমাদের বিশাল এলাকা। মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে!”

পাউবো খুলনা-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী পীযুষ কৃষ্ণ কুন্ডু বলেন, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির পর পর কয়েকটি সভায় কয়রার ওই অংশটা সাতক্ষীরা পাউবো থেকে খুলনার মধ্যে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক উদ্যোগ নিয়েছেন। পাউবো খুলনা-২ এর মধ্যে ৩১নং পোল্ডারটা ঝুঁকিপূর্ণ; এছাড়া ৩২নং পোল্ডারে কাজ চলছে। অর্থ অভাবে ভেড়িবাঁধ সংস্কারের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।

কয়রার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের ভেড়িবাঁধ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতা থেকে কয়রা উপজেলার অংশটা খুলনার (পাউবো’র) মধ্যে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে গতকাল রবিবার খুলনায় অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা আ খ ম তমিজ উদ্দিন ও পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান স ম বাবর আলী ভাঙন কবলিত এলাকায় ভেড়িবাঁধের সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায়। 

চালনা পৌরসভা রক্ষায় শহর রক্ষা বাঁধ, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য বটিয়াঘাটার সুরখালি ইউনিয়নে অবৈধভাবে বহুতল বভন নির্মাণের বিষয়ে সতর্কীকরণ, পাইকগাছার দেলুটি, বরেঙ্গা, বাইনতলা, হাটবাটি, কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশির চরামুখা, মাটিয়াভাঙ্গা, উত্তর বেদকাশির গাববুনিয়া, গাজীপাড়া, কয়রা সদরের ৬নং কয়রা লঞ্চঘাট, হরিণখোলা, মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়া, পূর্ব মটবাড়ি, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়ানি এলাকা ভাঙন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ মে আইলা নামক দুর্যোগে খুলনার বটিয়াঘাটা, দাকোপ, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা বিধ্বস্ত হয়। এতে ৬৫ জন নারী-পুরুষের মৃত্যু হয়।

--মাওলা বকস