Friday, June 14, 2013

আজ জামাইষষ্ঠী; ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২০ বাংলা

বারো মাসের তেরো পার্বণে বাঁধা বাঙালি হিন্দুসমাজের জীবনাচার। এর কোনোটি ধর্মীয় প্রথা, কোনোটি লৌকিক। জামাইষষ্ঠী একটি লৌকিক প্রথা। ষষ্ঠীদেবীর পার্বণ থেকে এ প্রথার উদ্ভব। মূলত, বৈদিক সমাজ থেকেই জামাইষষ্ঠী উদ্যাপিত হয়ে আসছে।


সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরো ঘনীভূত হওয়ায় ঝড়ো হাওয়ার আশংকায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৃহস্পতিবার রাতে আবহাওয়ার সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলের অদূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এ কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্য তুলনামূলকভাবে বেশি।

এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূল এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

পাইকগাছার বৃদ্ধা করিমুন্নেছা হত্যা মামলা

প্রতিপক্ষদের দমনে ঘুমের বড়ি খাইয়ে অজ্ঞান করে হাত-পা কেটে হত্যা

উপজেলার খড়িয়া (খালেরগোড়া) গ্রামের বৃদ্ধা করিমন্নেছা (৫০) কে ঘুমের বড়ি খাইয়ে অজ্ঞান করে হাত-পা কাটা হয়েছিল প্রতিপক্ষদের দমন করতে মামলা করার জন্য। কিন্তু বিধিবাম, করিমন্নেছার ক্ষতস্থান দিয়ে অঝোরে রক্ত ঝরতে-ঝরতে এক পর্যায়ে রক্ত শূন্যতায় হতভাগী করিমন্নেছা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার মৃত্যুকে পুজি করে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে থানায় রীতিমত হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। গত শনিবার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ধৃত একই গ্রামের মৃত আজগর ঢালীর পুত্র আবুল কাশেম ঢালী (৪৮) পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের খড়িয়া খালেরগোড়া এলাকায় গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর ভোরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ বাবু শিকারী ধারালো দা দিয়ে বৃদ্ধা করিমন্নেছাকে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে এমন অভিযোগে হতভাগীর স্বামী ফজলে সানা বাদী হয়ে বাবু শিকারী, ইউনুস সানা, রুহুল আমিন ঢালী, শাহিনুর রহমান, সাইফুল সানা, সাপি বেগম, শাহানারা বেগম, এনায়েত ঢালী ও জবেদ সানাকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ আসামী গ্রেফতার করতে না পারায় বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেড কোয়াটারের নির্দেশে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মামলার তদন্তভার সিআইডি’তে হন্তান্তর করা হয়।

খুলনা জেলা সিআইডি ইন্সপেক্টর সরদার মো. হায়াত আলী বলেন, দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত ৮ জুন শনিবার সকালে খড়িয়া গ্রাম থেকে আবুল কাশেম ঢালীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আবুল কাশেম ঢালীর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অত্র মামলার আসামীদের পৃথক তিনটি গ্রুপের সাথে গোলযোগ রয়েছে। প্রতিপক্ষ ওই তিন গ্রুপ একত্রিত হয়ে আসামীদের ঘায়েল করতে এ ধরনের ঘৃণিত পরিকল্পনা সাজিয়েছিল। তবে কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। আবুল কাশেম ঢালীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী ঘটনায় অন্যান্য জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সিআইডি ইন্সপেক্টর মোঃ আবুল হায়াত জানিয়েছেন।