Saturday, September 14, 2013

পাইকগাছা-টু ১৮ মাইল সড়কের অবস্থা ভয়াবহ

পাইকগাছার গোলাবাটি থেকে ১৮ কিঃ মিঃ পর্যন্ত ২০ কিঃ মিঃ সড়কের উপর পানি সহ রাস্তায় বড় বড় খাদের সৃষ্টি হওয়ায় পরিবহন সহ ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। সড়কটি মেরামত না করলে যে কোন মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে পাইকগাছার সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ। 

সড়কের এতটা ভয়াবহতা আগে কখনও দেখেনি এই জনপদের মানুষ। বর্তমান মাহাজোট সরকারের সাড়ে ৪ বছরেও কোন সংস্কারের কাজ হয়নি। সড়কের করুন পরিনতির জন্য এলাকাবাসী তালা-কলারোয়া সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়র শেখ মুজিবুর রহমানও খুলনা-৬, কয়রা-পাইকগাছা সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এডঃ সোহরাব আলী সানাকে দায়ী করছে। তাদের কারনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ৩টি উপজেলার পায় ৭ লাখ মানুষ।

অভিযোগ আছে, তালা-কলারোয়া সংসদ তার সময়ে এলাকার মাত্র ১৬ কিঃমিঃ সড়কের কোন সংস্কার করতে পারেননি। সয়ং যোগাযোগ মন্ত্রী সরেজমিনে এসে সড়কের করুন অবস্থা দেখে তা দ্রুত চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দিলেও সড়ক জনপদ বিভাগ তা বাস্তবায়নে কাজ আজও করেনি। এতে করে সড়কটি সংস্কারে নতুন করে কাদের কাছে দাবি তুলবে তাও জানেন না এই জনপদের মানুষ।

১৮ মাইল থেকে কপিলমুনির গোলাবাটি পর্যন্ত ২০ কিঃ মিঃ সড়কের সব টুকু খানাখন্দে ভরা এবং চলাচলের অনুপযোগী। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কিছু কিছু যানবাহন চললেও আশংকা করা হচ্ছে যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে পাইকগাছা-টু ১৮ মাইল পর্যন্ত যানবাহন চলাচল।

Friday, September 13, 2013

পাইকগাছা কলেজ আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

গতকাল অনুষ্ঠিত হল পাইকগাছা কলেজ আয়োজিত আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা। ফাইনালে পাইকগাছা কলেজ সম্মান বিভাগ প্রতিপক্ষ উচ্চ মাধ্যমিক (২য় বর্ষ) বানিজ্য বিভাগ ফুটবল একাদশকে ১-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে। সম্মান বিভাগের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন ৯নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় লাবণ্য।

ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন বানিজ্য বিভাগ ফুটবল একাদশের গোলরক্ষক রাজু। ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার পান নিত্যা।

খেলা শেষে বিজয়ী সম্মান বিভাগ এবং রানার্স আপ বানিজ্য বিভাগ একাদশকে পুরস্কার প্রদান করেন পাইকগাছা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বাবু মিহির বরন মন্ডল। এ সময় কলেজের শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

(ছবিতে, বিজয়ী সম্মান বিভাগের খেলোয়াড়রা পুরস্কার গ্রহন করছেন)

STROKE (স্ট্রোক): মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষর: S, T এবং R

আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।

একটি সত্যি গল্প: 

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।

সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।

মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।

সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।

স্ট্রোককে চিনুন:

সহজ তিনটি ধাপ: S T ও R...পড়ুন এবং জানুন!

মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।

সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ

S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।


এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)

সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।

সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান !!!!