Saturday, November 2, 2013
পাইকগাছায় ইউপি চেয়ারম্যানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও দন্ড প্রদান
পাইকগাছায়
এক ইউপি চেয়ারম্যানকে সরকারী সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে জরিমানা ও দন্ড
প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সরকারী কাঠ আত্মসাত করার
অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চুকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
ও অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চু ঘটনার দিন গত বৃহস্পতিবার বিকালে ইউনিয়ন পরিষদে গচ্ছিত প্রায় ৩০ হাজার টাকা মূল্যের সরকারী কাঠ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের উদ্যোশে গদাইপুর বাজার সংলগ্ন স’মিল থেকে চেরাই করে নছিমনযোগে নেয়ার সময় এ খবর জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে থানা পুলিশ নছিমনসহ কাঠগুলো জব্দ করে।
বিষয়টি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান তড়িঘড়ি করে ইউপি মেম্বরদের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর করার মাধ্যমে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করেন। এদিকে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতে একটি মামলা করা হয়। যার মোবাইল কোর্ট মামলা নং- ৭০/১৩।
ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোমিনুর রশীদ স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন’০৯ এর ৫১ ধারার অপরাধে ৮৯ ধারার বিধান মতে সরকারী সম্পদ আত্মসাত চেষ্টার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চুকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন।
এ ব্যাপারে ওসি এম. মসিউর রহমান জানান, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশটি ইতিমধ্যে থানায় এসে পৌছাছে। নির্দেশ মোতাবেক জব্দকৃত কাঠগুলো উপজেলা কৃষি অফিসারের উপস্থিতিতে নিলামে বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপির প্রভাবশালীনেতা বাচ্চুর বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ক্ষমতার অপব্যবহার, গ্রামপুলিশ ও দফাদারদের সাথে অসদাচরণ সহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চু ঘটনার দিন গত বৃহস্পতিবার বিকালে ইউনিয়ন পরিষদে গচ্ছিত প্রায় ৩০ হাজার টাকা মূল্যের সরকারী কাঠ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের উদ্যোশে গদাইপুর বাজার সংলগ্ন স’মিল থেকে চেরাই করে নছিমনযোগে নেয়ার সময় এ খবর জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে থানা পুলিশ নছিমনসহ কাঠগুলো জব্দ করে।
বিষয়টি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান তড়িঘড়ি করে ইউপি মেম্বরদের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর করার মাধ্যমে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করেন। এদিকে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতে একটি মামলা করা হয়। যার মোবাইল কোর্ট মামলা নং- ৭০/১৩।
ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোমিনুর রশীদ স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন’০৯ এর ৫১ ধারার অপরাধে ৮৯ ধারার বিধান মতে সরকারী সম্পদ আত্মসাত চেষ্টার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সালাম বাচ্চুকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন।
এ ব্যাপারে ওসি এম. মসিউর রহমান জানান, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশটি ইতিমধ্যে থানায় এসে পৌছাছে। নির্দেশ মোতাবেক জব্দকৃত কাঠগুলো উপজেলা কৃষি অফিসারের উপস্থিতিতে নিলামে বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপির প্রভাবশালীনেতা বাচ্চুর বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ক্ষমতার অপব্যবহার, গ্রামপুলিশ ও দফাদারদের সাথে অসদাচরণ সহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
কয়রায় জলাবদ্ধতার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে
কয়রা উপজেলার কয়েকটি মৌজায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকরি পদপে না নেয়ায়
দীর্ঘদিন ধরে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। চলতি আমন মৌসুমের শুরুতেই এসব
মৌজার কৃষকরা অনেক কষ্ট করে নিজ নিজ জমিতে আমন চাষাবাদ করলেও জমির পানি
নিষ্কাসন করতে না পারায় তা এবারও বিফলে গেছে। যে কারণে গত বৃহস্পতিবার
মহারাজপুর ইউনিয়নের কালনা, মাদারবাড়িয়া, মহারাজপুর গ্রামের শ শ কৃষক রাস্তায়
নেমে বিােভ প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যানের
দায়িত্বে অবহেলা ও এলাকায় না থাকার কারণে ভোগান্তির নিরসন হচ্ছে না বলে
ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তার অপসারণ দাবি করেন।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৯ সালে প্রাকৃতিক বিপর্যায়ের কারণে এলাকার কয়েকটি স্থানে বেড়ি বাঁধ ভেঙে নদীর লোনা পানি প্রবেশ করে। সে সময় গোটা উপজেলায় কৃষকদের ফসলের তে লোনা পানিতে তলিয়ে যায়। ধীরে ধীরে সব এলাকার বেড়িবাঁধ মেরামত করা হয়। কিন্তু সে সময় থেকে কৃষকদের জমির পানি সরবরাহের পথ এলাকার কালভার্ট ও খালগুলো বন্ধ করে কিছু প্রভাবশালী লোকজন লোনা পানির মাছ চাষ করায় টানা চার বছর এলাকার কৃষকরা তিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা আজ পর্যন্ত কোন কার্যকরি উদ্যোগ গ্রহন করতে পারেনি বলে তারা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
উপজেলার কালনা গ্রামের সোবাহান হাওলাদার নামের একজন কৃষক বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের সময় আমাগের বর্তমান চিয়ারমেন কইছিলো তারে ভোট দিলে কৃষকের সমস্যার সমাধান হবে। আমরা ইউনিয়ন বাসি তারে ভোট দিয়া চিয়ারমেন বানালাম। সে আমাগের সমস্যা ফেলাইয়া নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়িছে। এখন তাকে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়াও পাওয়া যায় না। উনি ব্যবসার কাজে মাসের পর মাস ঢাকায় থাকেন।’
মহারাজপুর গ্রামের কৃষক আবু হানিফ, আবুল সরদার, মোসলেম সানাসহ অনেক কৃষক জানিয়েছেন, মৌজার পানি সরানোর বন্দোবস্তের জন্যে নির্ধারিত খালটিতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করার কারণে জমির পানি সরানোর পথ বন্ধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষকরা বার বার ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টির সমাধান চেয়েও পাননি বলে জানান তারা। যে কারনে গত চার বছর ধরে এ মৌজায় কোন ফসল উৎপাদান করা সম্ভব হয়না। গোলাম মোস্তফা নামের একজন কৃষক ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, জমির পানি সরাতে যে চিয়ারম্যানের বছরের পর বছর লাগে এমন চিয়ারম্যানের আমাগের আর দরকার নেই।
ইউপি চেয়ারম্যানের প্রতি এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউনিয়নের শ শ কৃষক পরিবার। তারা বলেন, বছরের পর বছর জমিতে কোন ফসল ফলাতে না পারায় অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। পেটের দায়ে অনেক গৃহস্থ পরিবারের সদস্যরা দিন মজুরি খেটে সংসার চালাচ্ছেন। তারা দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ি সমাধান দাবি করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম হাসান বলেন, কৃষকদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলার অনেক মৌজার জলাবদ্ধতা নিরসন করা হয়েছে। বাকি মৌজায় সমস্যা নিরসনের চেষ্টা চলছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৯ সালে প্রাকৃতিক বিপর্যায়ের কারণে এলাকার কয়েকটি স্থানে বেড়ি বাঁধ ভেঙে নদীর লোনা পানি প্রবেশ করে। সে সময় গোটা উপজেলায় কৃষকদের ফসলের তে লোনা পানিতে তলিয়ে যায়। ধীরে ধীরে সব এলাকার বেড়িবাঁধ মেরামত করা হয়। কিন্তু সে সময় থেকে কৃষকদের জমির পানি সরবরাহের পথ এলাকার কালভার্ট ও খালগুলো বন্ধ করে কিছু প্রভাবশালী লোকজন লোনা পানির মাছ চাষ করায় টানা চার বছর এলাকার কৃষকরা তিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা আজ পর্যন্ত কোন কার্যকরি উদ্যোগ গ্রহন করতে পারেনি বলে তারা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
উপজেলার কালনা গ্রামের সোবাহান হাওলাদার নামের একজন কৃষক বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের সময় আমাগের বর্তমান চিয়ারমেন কইছিলো তারে ভোট দিলে কৃষকের সমস্যার সমাধান হবে। আমরা ইউনিয়ন বাসি তারে ভোট দিয়া চিয়ারমেন বানালাম। সে আমাগের সমস্যা ফেলাইয়া নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়িছে। এখন তাকে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়াও পাওয়া যায় না। উনি ব্যবসার কাজে মাসের পর মাস ঢাকায় থাকেন।’
মহারাজপুর গ্রামের কৃষক আবু হানিফ, আবুল সরদার, মোসলেম সানাসহ অনেক কৃষক জানিয়েছেন, মৌজার পানি সরানোর বন্দোবস্তের জন্যে নির্ধারিত খালটিতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করার কারণে জমির পানি সরানোর পথ বন্ধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষকরা বার বার ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টির সমাধান চেয়েও পাননি বলে জানান তারা। যে কারনে গত চার বছর ধরে এ মৌজায় কোন ফসল উৎপাদান করা সম্ভব হয়না। গোলাম মোস্তফা নামের একজন কৃষক ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, জমির পানি সরাতে যে চিয়ারম্যানের বছরের পর বছর লাগে এমন চিয়ারম্যানের আমাগের আর দরকার নেই।
ইউপি চেয়ারম্যানের প্রতি এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউনিয়নের শ শ কৃষক পরিবার। তারা বলেন, বছরের পর বছর জমিতে কোন ফসল ফলাতে না পারায় অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। পেটের দায়ে অনেক গৃহস্থ পরিবারের সদস্যরা দিন মজুরি খেটে সংসার চালাচ্ছেন। তারা দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ি সমাধান দাবি করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম হাসান বলেন, কৃষকদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলার অনেক মৌজার জলাবদ্ধতা নিরসন করা হয়েছে। বাকি মৌজায় সমস্যা নিরসনের চেষ্টা চলছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)