Saturday, March 15, 2014
পাইকগাছার ৫৩টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ
আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৪র্থ পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
নির্বাচনে মোট ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও
শান্তিপূর্ণ করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।
জেলার বিশেষ গোয়েন্দা শাখা ও জেলা রিটানিং অফিসার সূত্র জানায়, ১০টি
ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ গঠিত। যেখানে মোট ভোটার ১
লাখ ৮৫ হাজার ৬০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯৩ হাজার ৪৬৬ জন ও নারী ভোটার ৯২
হাজার ১৩৭ জন। এ নির্বাচনে ৬৯টি ভোট কেন্দ্রের ৪৪২টি বুথে ভোটগ্রহণ
অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৫৩টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা
হয়েছে।
খুলনা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে জানা গেছে, নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ, ১২ জন আনসার ও একজন গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে একজন করে পুলিশ বেশি থাকবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের বাইরে টহল দিবে পুলিশের ১৫টি মোবাইল টিম ও ৬টি স্ট্রাইকিং ফোর্স। নির্বাচনের দিন পাইকগাছায় ৫০ জন সেনা সদস্য ও দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিভূতি ভূষণ ব্যানার্জি জানান, পাইকগাছায় নিরাপত্তার বিষয়টি তদারকির জন্য দুই জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং দুই জন সহকারী পুলিশ সুপার সার্বক্ষণিক পাইকগাছায় থাকবেন। নির্বাচনের আগে ও পরে ৫১০ জন পুলিশ সদস্য, ৮২৮ জন আনসার দায়িত্ব পালন করবেন।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- পাইকগাছা পৌরসভার সরল দীঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘোষাল বন্দিকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মঠবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুরাইকাটি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গদাইপুর এতিমখানা, মেলেকপুরাই কাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফকিরাবাদ শান্তা নুরুল হক দাখিল মাদ্রাসা, হোগলার চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমারখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ বাইন বাড়িয়া নব জাগরণী রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিকেএ এস এম ইনস্টিটিউট বোইন বাড়িয়া হাইস্কুল, বগুলারচক একেপিকে এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, অমুরকাটা রংধনু মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বেতবুনিয়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পূর্বদিঘা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চারবান্দা হাইস্কুল, হরিদাশকাটী বেগম জালাল উদ্দিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, উত্তর সোনাতনকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ সোনাতনকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সলুয়া রামনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নবদূত সংঘ, রেজ্জাকপুর কাশিমনগর সরকারি প্রাথমিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউলী প্রতাপকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির, নাবা সহকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিবি শ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাড়িয়া খাসমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিজিপি শামুকপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও হানি মুনকিয়া বাইচাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
খুলনা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে জানা গেছে, নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ, ১২ জন আনসার ও একজন গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে একজন করে পুলিশ বেশি থাকবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের বাইরে টহল দিবে পুলিশের ১৫টি মোবাইল টিম ও ৬টি স্ট্রাইকিং ফোর্স। নির্বাচনের দিন পাইকগাছায় ৫০ জন সেনা সদস্য ও দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে।
খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিভূতি ভূষণ ব্যানার্জি জানান, পাইকগাছায় নিরাপত্তার বিষয়টি তদারকির জন্য দুই জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং দুই জন সহকারী পুলিশ সুপার সার্বক্ষণিক পাইকগাছায় থাকবেন। নির্বাচনের আগে ও পরে ৫১০ জন পুলিশ সদস্য, ৮২৮ জন আনসার দায়িত্ব পালন করবেন।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- পাইকগাছা পৌরসভার সরল দীঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘোষাল বন্দিকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মঠবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুরাইকাটি বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গদাইপুর এতিমখানা, মেলেকপুরাই কাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফকিরাবাদ শান্তা নুরুল হক দাখিল মাদ্রাসা, হোগলার চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমারখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ বাইন বাড়িয়া নব জাগরণী রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিকেএ এস এম ইনস্টিটিউট বোইন বাড়িয়া হাইস্কুল, বগুলারচক একেপিকে এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, অমুরকাটা রংধনু মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বেতবুনিয়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পূর্বদিঘা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চারবান্দা হাইস্কুল, হরিদাশকাটী বেগম জালাল উদ্দিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, উত্তর সোনাতনকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ সোনাতনকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সলুয়া রামনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নবদূত সংঘ, রেজ্জাকপুর কাশিমনগর সরকারি প্রাথমিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউলী প্রতাপকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির, নাবা সহকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিবি শ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাড়িয়া খাসমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিজিপি শামুকপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও হানি মুনকিয়া বাইচাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
প্রচারণা শেষ, পাইকগাছায় ভোটযুদ্ধ আজ
প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। মাইকিং-মিছিল আর পথসভার শব্দ থেমে গেছে।
চারদিকে নেমে এসেছে শুনশান নিরবতা। পাইকগাছায় ভোট যুদ্ধের পূর্বের অবস্থা
এটি। রাত পার হলেই আগামীকাল বৃহস্পতিবার সেই ভোটযুদ্ধ। আর প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে এসে পাইকগাছায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া গেছে।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, তৃতীয় দফা উপজেলা পরিষদ
নির্বাচনে আগামীকাল ১৫ মার্চ শনিবার ভোট হবে পাইকগাছায়। এই উপজেলার মোট
ভোটার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯৩ হাজার ৪৬৬ জন ও মহিলা
ভোটার ৯২ হাজার ১৩৭ জন। ১০টি ইউনিয়নের ৬৯টি ভোট কেন্দ্রের ৪৪২টি বুথে
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৫৫টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে
চিহ্নিত করেছে পুলিশ।
এ বছর পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৬ প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ রশীদুজ্জামান। ২০০৯ সালের নির্বাচনে তিনি ৪৭ হাজার ১০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী স ম বাবর আলী পেয়েছিলেন ৪৫ হাজার ৪৩৫ ভোট। এবারও বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে। উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর গতবার পেয়েছিলেন ১৯ হাজার ১৬০ ভোট। সিপিবির প্রার্থী কৃষ্ণপদ মন্ডল গতবার ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪১ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এবার চেয়ারম্যান পদে দলের সমর্থন পেয়েছেন তিনি।
নতুন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জি এম আবদার রশীদ ও শেখ সোহওয়ায়ার্দী।অবশ্য আ’লীগ মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামানকে (আনারস) সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ সোহরাওয়ার্দ্দী। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ বছর পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৬ প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ রশীদুজ্জামান। ২০০৯ সালের নির্বাচনে তিনি ৪৭ হাজার ১০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী স ম বাবর আলী পেয়েছিলেন ৪৫ হাজার ৪৩৫ ভোট। এবারও বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে। উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর গতবার পেয়েছিলেন ১৯ হাজার ১৬০ ভোট। সিপিবির প্রার্থী কৃষ্ণপদ মন্ডল গতবার ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪১ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এবার চেয়ারম্যান পদে দলের সমর্থন পেয়েছেন তিনি।
নতুন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জি এম আবদার রশীদ ও শেখ সোহওয়ায়ার্দী।অবশ্য আ’লীগ মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ রশীদুজ্জামানকে (আনারস) সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ সোহরাওয়ার্দ্দী। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)

