Friday, April 4, 2014

পাইকগাছায় শান্তিপূর্ণভাবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

মোট পরীক্ষার্থী ২৪০৬, অনুপস্থিত ২০


পাইকগাছায় শান্তিপূর্ণভাবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলার ৫টি কেন্দ্র ও ৪টি উপকেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কবির উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ কামরুল ইসলাম বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেও ফসিয়ার রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাঁধা প্রদান করা হয় বলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

কেন্দ্রগুলো হচ্ছে পাইকগাছা কলেজ, গড়ইখালী শহীদ আয়ুব ও মুসা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ, রাড়ুলী আরকেবিকে হরিশ্চন্দ্র কলেজিয়েট, কপিলমুনি ডিগ্রী কলেজ ও পাইকগাছা সিনিয়র মাদ্রাসা। উপকেন্দ্রগুলো হচ্ছে ফসিয়ার রহমান মহিলা ডিগ্রী কলেজ, গড়ুইখালী আলমশাহী ইনষ্টিটিউট, রাড়ুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হরিঢালী মহিলা কলেজ।

কেন্দ্রগুলোতে এইচএসসি/আলিম এবং এইচএসসি (বিএম) কোর্সের মোট ২ হাজার ৪০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ম দিন ২০ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল বলে কেন্দ্র সচিবরা জানান।

এদিকে প্রচন্ড গরমের কারনে পাইকগাছা কলেজ কেন্দ্রে বিথি মন্ডল নামে এক পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে ডাক্তার ঋষিকেষ সাহা তাকে চিকিৎসা প্রদান করেন বলে কেন্দ্র সচিব মিহির বরণ মন্ডল জানান। সাংবাদিকদের প্রবেশে বাঁধা প্রসংগে অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

পৌর বাজারের চর ভরাটি জায়গা জবর দখলের অভিযোগ

পাইকগাছায় কতিপয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পৌর বাজারের শিবসা নদীর চর ভরাটি জায়গা জবর দখল করে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান প্রশস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সরেজমিন পরিদর্শন করে অনেকের নির্মাণাধীন কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। 

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস আগে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বন্দোবস্ত নিয়ে পৌর বাজারের শিবসা নদীর ধারে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন এবং পরবর্তীতে এসব ব্যক্তিরা প্রতিষ্ঠান প্রশস্ত করার লক্ষে প্রতিষ্ঠানের পাশ থেকে সরকারি জায়গা জবর দখলে নেয়ার জন্য মাটি ভরাট সহ অন্যান্য কাজ শুরু করেন।

এ খবর জানতে পেরে মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আনোয়ার হোসেন ও ছবেদ নামে এক চারো ব্যবসায়ীর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, বন্দোবস্তকৃতদের আধা শতক বরাদ্দ দেয়া হলেও কিছু কিছু ব্যক্তি অতিরিক্ত জায়গা জবর দখলে নেয়ার চেষ্টা করছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

Monday, March 31, 2014

গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর টনক নড়েছে প্রশাসনের (ফলোআপ)

পাইকগাছায় তড়িঘড়ি করে দু’টি মন্দির উন্নয়নে ইট মজুদ


পাইকগাছায় মন্দির উন্নয়নের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর টনক নড়েছে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কমিটি নেতৃবৃন্দের। ইতোমধ্যে মন্দির দু’টি পরিদর্শন করে এক সপ্তাহের মধ্যে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মন্দিরের উন্নয়ন কাজ করার লক্ষে তড়িঘড়ি করে নির্মাণ সামগ্রী (ইট) মজুদ করেছে প্রকল্প কমিটি।

উল্লেখ্য, উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের পূর্ব খড়িয়া গ্রামে পূর্ব খড়িয়া আদর্শ রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সার্বজনীন দূর্গামন্দির ও কালিমন্দির নামে দু’টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠান দু’টি দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ অবস্থা বিরাজ করায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তৎকালীন স্থানীয় এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ২০১২-১৩ অর্থ বছরে মন্দির দু’টির অনুকুলে বিভিন্ন সময় ৫ মেঃ টন গম/চাউল বরাদ্দ দেন।

বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে মন্দির উন্নয়নে কোন কাজ না করে ইউপি সদস্য ও প্রকল্প কমিটির সভাপতি প্রনব কান্তি হালদার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিল ভাউচার দাখিল করেছে এমন অভিযোগে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি
Voice of Paikgacha'সহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে টনক নড়ে প্রশাসনের। অপরদিকে তড়িঘড়ি করে উন্নয়ন কাজ শুরু করার চেষ্ঠা করেন প্রকল্প কমিটি। সোমবার সকালে মন্দির দু’টি পরিদর্শন করে এক সপ্তাহের মধ্যে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়াদ্দার।

একই দিন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নির্মাণ সামগ্রী (ইট) মজুদ করেছেন প্রকল্প কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ ব্যাপারে মন্দির সংলগ্ন এলাকার মুকুন্দ বিহারী হালদার ও শুভাদ্রা হালদার জানান, মন্দির দু’টিতে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন যাবৎ পূজা করে আসছেন। সরকারি বরাদ্দের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও এতদিন প্রকল্প কমিটি কাজ না করে সোমবার সকালে দু’টি মন্দিরের চত্ত্বরে ইট মজুদ করেছে।

ইউপি সদস্য ও প্রকল্প কমিটির সভাপতি প্রনব কান্তি হালদার জানান, প্রথম দু’টনের অর্থ দিয়ে বালু ভরাট করা হয়েছিল। অবশিষ্ট তিন টনের অর্থ দিয়ে ইট ক্রয় করা হয়েছে।