Friday, August 21, 2015

''‪‎সব‬ ‪নারী‬ ‪ভোটার‬ ‪হও‬'' প্রচার শুরু

ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে ভোটারযোগ্য নারীদের অন্তর্ভুক্ত করে নারী ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধিতে বেসরকারি কয়েকটি সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি প্রচারাভিযান শুরু হয়েছে। ''সব নারী ভোটার হও'' শিরোনামের এ উদ্যোগ ভোটার তালিকায় যাতে বেশি সংখ্যক নারী অন্তর্ভুক্ত হতে পারে সে জন্য নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নয়টি সংগঠনের পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ( www.womencountbd.org ) উদ্বোধন ও প্রচারাভিযান শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৪ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য থেকে দেখা যায় মাত্র ৪৪ শতাংশ নারী ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অথচ ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যার ৪৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ হচ্ছে নারী। তাই তালিকায় নারী ভোটারদের একটি উল্লেখ যোগ্য অংশ ওই তালিকা থেকে বাদ পড়ে পড়েছে। সংবাদ সম্মেলনে হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকায় নারীদের সংখ্যা যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্বমূলক না হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক আবদুল আলিম বলেন, সংবাদ সম্মেলন থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানানো হয়েছে, এবার যাতে ভোটারযোগ্য নারীরা কোনো ভাবেই বাদ না পড়ে। প্রচারাভিযানের পক্ষ থেকে ২০১৪ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য অনুযায়ী যেসব উপজেলায় নারী ও পুরুষ ভোটারের মধ্যে সর্বাধিক ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে সেসব উপজেলায় জনগণকে তথ্য দিয়ে বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
মাইকিং করে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা কবে বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে ওই তারিখ জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মসজিদের ইমাম সাহেবরা বিভিন্ন তথ্য জানানোর কাজ করছেন। লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

তালিকায় নারী ভোটারদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে প্রচারাভিযান শুরু করা সংগঠনগুলো হলো বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স ফর উইমেন লিডারশিপ, ব্রতী, বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক, ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ, ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেটিক্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, জাগো ফাউন্ডেশন, কাবিডাং এবং খাগরাপুর মহিলা কল্যাণ সমিতি।

Monday, August 17, 2015

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সময় সূচি প্রকাশ

পরীক্ষা শুরু আগামী ১ নভেম্বর থেকে, শেষ হবে ১৮ নভেম্বর


অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ১ নভেম্বর থেকে এই পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৮ নভেম্বর শেষ হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু হবে। ২০১৫ সালের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেবে। গতবছর এ সংখ্যা ছিল ২০ লাখ ৯০ হাজার ৬৯২ জন।

জেএসসির‬ সূচি :: 


১ নভেম্বর :: বাংলা প্রথমপত্র,
২ নভেম্বর :: বাংলা দ্বিতীয়পত্র,
৩ নভেম্বর :: ইংরেজি প্রথমপত্র,
৪ নভেম্বর :: ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র,
৫ নভেম্বর :: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,
৮ নভেম্বর :: গণিত/সাধারণ গণিত,
৯ নভেম্বর :: ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা
১১ নভেম্বর :: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ১২ নভেম্বর শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, ১৫ নভেম্বর বিজ্ঞান, ১৬ নভেম্বর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা
১৭ নভেম্বর :: কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ বিজ্ঞান, আরবি, সংষ্কৃত, পালি এবং ১৮ নভেম্বর হবে চারু ও কারুকলা
‎ 

জেডিসির‬ সূচি :: 


১ নভেম্বর :: কোরআন মাজিদ ও তাজবিদ,
২ নভেম্বর :: আকাইদ ও ফিকহ,
৩ নভেম্বর :: বাংলা প্রথমপত্র,
৪ নভেম্বর :: বাংলা দ্বিতীয়পত্র,
৫ নভেম্বর :: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,
৮ নভেম্বর :: ইংরেজি প্রথমপত্র,
৯ নভেম্বর :: ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র,
১১ নভেম্বর :: আরবি প্রথমপত্র,
১২ নভেম্বর :: আরবি দ্বিতীয়পত্র,
১৪ নভেম্বর :: গণিত,
১৫ নভেম্বর :: কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য,
১৬ নভেম্বর :: সামাজিক বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়,
১৭ নভেম্বর :: সাধারণ বিজ্ঞান (শুধু অনিয়মিত), বিজ্ঞান, বিজ্ঞান ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (শুধু অনিয়মিত)
১৮ নভেম্বর :: কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ্য অর্থনীতি (শুধু অনিয়মিত) এবং গার্হস্থ্য বিজ্ঞান

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার স্বাক্ষরিত জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার রুটিনে বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীরা সাধারণ সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। তবে মোবাইল ফোন বা কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস হলে আনা যাবে না। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না বলেও রুটিনে উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ১০ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সোমবার চূড়ান্ত রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।

Saturday, July 11, 2015

আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস; পাইকগাছায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৬৬%

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ


পাইকগাছায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। বর্তমানে উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার ৮০% এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৬৬%। যা জাতীয় হারের চেয়েও অনেক কম। 

এদিকে আজ ১১ জুলাই, শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী সহ বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে বলে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এস,এম, কবির হোসেন জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, উপজেলায় মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। যার মধ্যে সক্ষম দম্পতি ৫৬ হাজার ২৪৪ জন। মোট সক্ষম দম্পতিদের মধ্যে জুলাই’১৪ হতে জুন’১৫ পর্যন্ত গত ১ বছরে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করেছে ৪৫ হাজার ৭৯৮ জন। একই সময়ে স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করেছে ৭ হাজার ৯৪৭ জন। যার মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৮৪৪ এবং মহিলা ৬ হাজার ১০৩। খাবার বড়ি গ্রহণকারী ২৩ হাজার ৬৭৯ জন নারী। কনডম ব্যবহার করেছে ১ হাজার ৬৮৭ জন। আইইউডি ১ হাজার ১৭৮ জন। ইমপ্লান্ট ৩ হাজার ৯১ জন ও ইনজেকটেবল ৮ হাজার ২১৬ জন। 

সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, মাঠকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সকলের অব্যাহত প্রচেষ্টায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হয়েছে বলে জানান উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী। তিনি বলেন, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির জাতীয় হার যেখানে ১.০৩%, সেখানে পাইকগাছার হার ০.৬৬%। 

সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পাইকগাছা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যা দেশের রোল মডেল হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হক।