Thursday, April 11, 2013

১৯ এপ্রিলের পদার্থ বিজ্ঞান (১ম) পরীক্ষা পেছানোর দাবি

▣ জাতির কাছে প্রশ্ন, “কোন অপদার্থ এই পদার্থ বিজ্ঞানের রুটিন করেছে ???”

চলমান উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে পরীক্ষার্থীরা। এইচএসসিতে ১৯ এপ্রিল পদার্থ বিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু আগামী ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা থাকার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কঠিন পাঠ্য বিষয়গুলোতে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সময় না দেওয়ায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। তাই পরীক্ষার্থীরা এ পরীক্ষা মে মাসে নেয়ার দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সারাদেশে সকাল সন্ধা হরতালের কারণে বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থ বিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষা পিছিয়ে ১৯ এপ্রিল নতুন তারিখ ঘোষণা করে আন্ত:বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এদিকে পরীক্ষার মাঝে হরতাল না দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে দাবি জানিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

শনিবার খুলনা জেলায় অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে জামায়াত

শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের মুক্তির দাবীতে কেন্দ্র ঘোষিত সারাদেশব্যাপী হরতাল চলাকালীন খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও পিকেটিং চলাকালে পুলিশের গুলি বর্ষনে মুনসুর আলী নামে এক জামায়াত কর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে খুলনা মহানগরী ও জেলা জামায়াত তিন দিনের কর্মসূচী ঘোষনা করেছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ, শুক্রবার দোয়া দিবস এবং শনিবার খুলনা মহানগরী ও জেলায় অর্ধদিবস হরতাল। এইচ.এস.সি ও সমমান পরীক্ষা হরতালের আওতামুক্ত থাকবে।

পাইকগাছায় উৎসবমুখর পরিবেশে কৃষিব্যাংকের হালখাতা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছায় উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে কৃষিব্যাংকের হালখাতা। হালখাতা উপলক্ষ্যে ব্যাংকভবনে সকাল থেকেই গ্রাহকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সুত্রমতে- কৃষিব্যাংক পাইকগাছা শাখা কর্তৃপক্ষ ১ জুলাই ‘১২ হতে ৩০ জুন ‘১৩ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ১৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা বকেয়া ঋণ আদায়ের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইতোমধ্যে ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা আদায় হলেও অবশিষ্ট বকেয়া ঋণ আদায়ে প্রতিবছরের ন্যয় চলতি বছর ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার হালখাতার দিন ধার্য্য করে।

হালখাতার পূর্বে ১ হাজার গ্রাহককে দাওয়াত পত্র প্রদান করা হয়। যার প্রেক্ষিতে সকাল ১০ টা হতে ব্যাংক ভবনে ছিল গ্রাহকদের উপচে পড়া ভীড়। সর্বোচ্চ ঋণ খেলাপি ৩০ লাখ হলেও অধিকাংশ গ্রাহক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি।

গ্রাহক আফজাল হোসেন জানান তার কাছে বকেয়া পাওনা ছিল ৩৩ হাজার টাকা তিনি সম্পূর্ণ টাকা হালখাতায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে পরিশোধ করেছেন। ব্যাবস্থাপক মোঃ আনারুল ইসলাম জানান, প্রতিবছরের ন্যয় এবছরও গ্রাহকদের উপস্থিতি সন্তোষজনক।

এ ধরনের উদ্যোগ হাজার বছরের বাঙালীর ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহকদের সাথে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সু-সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, মাঠ কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সাত্তার, আমির আলী, কানাই লাল দাশ, পরিদর্শক শাহাজান আলী ও আল্পনা।