Thursday, April 18, 2013

কয়রায় সাব রেজিষ্ট্রারের বিদায় সম্বর্ধনা

কয়রা সাব রেজিষ্ট্রার নারায়ণ চন্দ্র মন্ডল এর বিদায় সম্বর্ধনা দিয়েছে কয়রা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতি। বুধবার কয়রা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে এক আড়ম্বর বিদায়ী সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়। একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম হাসান এর সভাপতিত্বে এক বিদায় সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।

দু’টি সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কয়রার ইতিহাসে এমন ন্যায়পরায়ন অফিসার বিরল, তিনি যোগদানের পর থেকে কয়রা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে যে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন তা কয়রাবাসীর কাছে স্মরনীয় হয়ে থাকবে। বক্তারা তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন। উল্লেখ্য, তিনি সম্প্রতি খুলনা জেলার ফুলতলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে বদলী হয়েছেন।

পাইকগাছার কপিলমুনিতে বসছে গাজার আসর !

পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনির কানাইদিয়াতে প্রতিদিন বসছে গাজার আসর। ফলে এলাকার সচেতন মহল উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। তারা ওই গাজার আসর বন্ধের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। জানা যায়, কপিলমুনির পাশ্ববর্তী কানাইদিয়া গ্রামের মধুপালের বাগান সংলগ্ন এলাকায় প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যায় বসে গাজার আসর।

এই গাজার আসরে গঞ্জিকা সেবীরা যোগদানের পূর্বে ওই এলাকার বলাইয়ের মোড় নামক স্থানে এ্কত্রিত হয়ে উক্ত বাগান সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে ২০/২৫ জন সেবী নির্বিগ্নে মনের আনন্দে মাদক সেবন করে থাকে। ফলে এলাকার যুবসমাজ-কিশোর সমাজ মারাত্মক হুমকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতনরা, শুধু তাই নয়, রীতিমত উদ্বিগ্ন হয়েও পড়েছেন তারা। এমতাবস্থায় অনতিবিলম্বে ওই গাজার আসর বন্ধের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

পাইকগাছা সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা আঃ রশিদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

পাইকগাছা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে আদালতে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা সহ প্রতারণতার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ওসি, পাইকগাছা থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার আদেশ দিয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঘোষাল গ্রামের মৃত কওসার আলী গাজীর পুত্র শওকত গাজী গংরা ঘোষাল মৌজার এস,এ ৬২ খতিয়ানের মালিকের নিকট থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দলিলে জমি খরিদ করেন। কিন্তু বর্তমান চলমান জরিপে সরজ আলী গাজী ও সাইফুল ইসলাম গংদের নামে রেকর্ড হয়। যার ডিপি নং ২৭১ও ২৭৬। উক্ত ডিপিতে ৩১ ধারা মোতাবেক শওকত গাজী গং বাদী হয়ে আফিল কেচ করেন যার নং ২৯২৯৩/১১, ২৯২৯৪/১১,২৯২৯৫/১১। বিবাদী থাকেন শরজ আলী গাজী ও সাইফুল ইসলাম গংরা। উক্ত আফিল কেচ গুলো শওকত আলীর পুত্র মামুন গাজী পরিচালনা করে আসছিলেন। আফিল কেচের শুনানী বিভিন্ন তারিখে অনুষ্টিত হয়। বাদীকে হয়রানীর একপর্যায অফিসার আব্দুর রশিদ, মামুন গাজীর কাছে মোটা অংকের ঘুষ দাবী করেন। মামুন গাজী অফিসার আঃ রশিদকে মামলা রায় বাদীর পক্ষে নেযার জন্য বিভিন্ন সময় ২৬ হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করেন। কিন্তু সুচতুর সেটেলমেন্ট অফিসার আঃ রশিদ বিবাদীদের কাছ থেকে দিগুন ঘুষের টাকা নিয়ে তাদের কে রায় দেন। মামুন গাজী গত ২০ ফেব্রয়ারী ঘুষের টাকা চাইতে গেলে বিবিন্ন হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। মামুন গাজী এ সব বিষয নিয়ে পাইকগাছা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিযাল ম্যজিষ্ট্রেট আদালতে গত বুধবার মামলা করে। যার নং সিআর-৯৩/১৩। অফিসার আব্দুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বাদী অহেতুক অন্যায়ভাবে আমাকে হয়রানি করার মানসে উক্ত মামলা করেছে।

সূত্র: http://www.banglapost24.com/archives/111871