Saturday, May 11, 2013

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’

বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়। ভারত মহাসাগরের একটি বিশাল অঞ্চলে অস্থির আবহাওয়া কারণে চলতি সপ্তাহে দুটি উষ্ণমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হয়েছে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় দুটি বাংলাদেশ, ভারতের উত্তর-পূর্ব, শ্রীলঙ্কার পূর্ব, মিয়ানমারে আঘাত হানতে পারে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী বুধবার বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলে এ ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় দুটি আঘাত হানতে পারে। 

শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘণীভূত হয়ে আরো সামান্য উত্তর দিকে সরে গিয়ে একই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি শনিবার সকাল ০৬ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৮'শ ৬০ কি.মি. দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৭'শ ৭০ কি.মি. দক্ষিণে এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৮'শ ৮৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘণীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কি.মি.-এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাগরে মাঝারি ধরনের উত্তাল রয়েছে।

গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা এবং বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দর সমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে এবং গভীর সাগরে বিচরণ না করার জন্য বলা হয়েছে।

কপিলমুনিতে দিনদুপুরে চুরি করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা

কপিলমুনিতে দিনদুপুরে চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে চুরি করতে আসা অপরিচিত ও বহিরাগত দু’যুবক। শনিবার বেলা ১২টার দিকে বাজার সংলগ্ন হাসপাতালের পিছনে মুজাফ্ফারের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। জানাগেছে, এদিন ঘটনার সময় বাড়িতে কেহ না থাকায় পাইকগাছা বাসষ্টান্ড সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা রুস্তম হাওলাদারের পুত্র রাসেল হাওলাদার (২৩) ও মুরোলগঞ্জ থানার মুক্তার খানের পুত্র রুবেল (২০) নামের দু চোর মোজাফ্ফারের বাড়িতে ঢুকে মালামাল চুরি করছিল। এ ঘটনা দেখে রাস্তায় কাজকরা শ্রমীকরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। এ সময় এলাকাবাসী তাদেরকে আটক করে উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে সপর্দ করেছে। উল্লেখ্য কপিলমুনিসহ আশপাশ এলাকায় দিনদুপুরে চুরি সংঘটিত হচ্ছে। তা’ছাড়া অত্র এলাকায় ছিচকে চোরের উপদ্রুপ বৃদ্ধি পেয়েছে।


কপিলমুনি হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন সিভিল সার্জন

কপিলমুনি হাসপাতাল পরিদর্শনে আসলেন সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকাল ১০টায় খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ গোলাম মোর্তজা শিকদার, খুলনা নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মোল্লা হাসপাতালটির পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী প্রকৌশলী শাহরিয়ার হাসান মহিউদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিয়ুর রহমান, টি, এইচ, এ আবুল ফজল, অধ্যক্ষ শহর আলী গাজী, ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, প্রধান শিক্ষক হরেকৃষ্ণ দাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাধন কুমার ভদ্র, যুগল কিশোর দে, হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাঃ এম কে হক রানা, আনন্দ মোহন বিশ্বাস, শেখ ইকবল হোসেন খোকন। পরে হাসপাতাল এর বিভিন্ন ফ্লর ঘুরে দেখেন। এ সময় দ্বীতল ভবনের মহিলা ওয়ার্ড, ডাক্তারসহ কর্তব্যরত নার্সদের কোয়ার্টার সমুহ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়।