Tuesday, March 4, 2014

পাকিস্তানকে ৪৩ রানে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা

মিরপুরের উইকেটে মুশফিকরা যখন পাকিস্তানের পুরুষ ক্রিকেট দলের বিপক্ষে মারকুটে ব্যাটিং করছে, তখন কক্সবাজারে অভিষেক ঘটা শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রমীলা ক্রিকেট দলও পিছিয়ে নেই। তারা হারিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান প্রমীলা ক্রিকেট দলকে।

টস হেরে সালমারা ব্যাটিং পেয়ে সংগ্রহ করে ৪৯.৩ ওভারে ১৫২। আর পাকিস্তান প্রমীলারা অলআউট  ৪৪.১ ওভারে ১০৯ রানে।  ৪৩ রানের জয় পেয়েছে সালমারা। এটি পাকিস্তানের প্রমীলা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে প্রথম বিজয়। লতা চারটি আর জাহারা তিনটি উইকেট শিকার করে পাক প্রমীলা দলের ব্যাটিং লাইনে ধস নামান।

টি-২০ বিশ্বকাপের আগে বিসিবি চেয়েছে বাংলাদেশ প্রমীলা ক্রিকেট দল কয়েকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাক। সে লক্ষ্যে পাকিস্তান আর ভারতের প্রমীলা ক্রিকেট দলকে আমন্ত্রণ জানায় বিসিবি। তাতে সাড়া দেয় দুই দেশ। পাকিস্তান দুই ওয়ানডে আর দুই টি-২০ ম্যাচ খেলবে। এবং ভারত তিনটি টি-২০ খেলবে বিশ্বকাপের আগে।

মঙ্গলবার ছিল সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় ৩৩ রানেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ প্রমীলা দল। এনমকি অধিনায়ক সালমা খাতুন ৬ রানে সাজঘরে ফেরত গেলে বেশ চাপে পড়ে দল। টপ অর্ডারে  আয়শা ৪, শারমিন১, ফরজানা ১০  রানে আউটের পর সালমাও ফিরে যান। কিন্তু মিডল অর্ডারে রুমানার ৪৪, শায়লার ২২ রানের সঙ্গে শেষ দিকে তাসনিয়ার ২৬ রানে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫২।

১৫৩ রানের জবাবে পাক প্রমলা দলের ওপেনার নাহিদা দলীয়  ৩ রানেই ফেরত যান। আর দলের ৮ রানে ফেরেন ওয়ান ডাউনে নামা সাইদা। দলীয় ২৭ রানে বিশমা আর ৩২ রানে সানা। এর পরপর কানিতাকে ফেরত পাঠালে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৯.৫ ওভারে ৫ উইকেট ৩২! সব কটি উইকেটই পকেটে জমা করেন লতা মন্ডল। দলীয় ৫০ রানে জাবিরা আর ৫১ রানে নাদিয়া আউট হন। ৬৩ রানে বাতুল ফেরত গেলে নবম জুটিতে ২৩.১ ওভার থেকে ক্রিজে টিকে থাকার চেষ্টা করে।

তাতেও রক্ষা হয়নি। আশমাবিয়া ইকবাল আর সুমাইয়া সিদ্দিকীর ৩৮ রানের জুটি ভাঙে সুমাইয়াকে ৫ রানে জাহারারা আলম ফেরত পাঠালে। পরে ৪০ রান করা আশমাবিয়াকে ক্যাচ বানান সালমা খাতুন। ১০৯ রানে অলআউট পাক প্রমীলা ক্রিকেট দল।

পাইকগাছায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে বিপাকে ১৯ দলীয় জোট

পাইকগাছায় তৃতীয় দফার ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৪ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে একাধিক প্রার্থীর কারনে বিপাকে রয়েছেন বিএনপি ও জামায়াত মনোনিত প্রার্থীরা। অপরদিকে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও প্রচার-প্রচারণায় পিছিয়ে রয়েছে আ’লীগ মনোনিত একক প্রার্থী। 

নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে এসে বিপাকে থাকা একাধিক প্রার্থী সংকট নিরসনে ১৯ দলীয় জোটের জেলা নেতৃবৃন্দ উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জোটসূত্র জানিয়েছে।

সূত্রমতে, হরিঢালী, কপিলমুনি, লতা, দেলুটি, সোলাদানা, লস্কর, গদাইপুর, রাড়ুলী, চাঁদখালী ও গড়ুইখালীসহ ১০ টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত হয়েছে পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ। উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ হযরত আলী জানান, গুরুত্বপূর্ণ এ উপজেলায় ৬৯টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬০৩ জন, যার মধ্যে পুরুষ ৯৩ হাজার ৪৬৬ জন ও মহিলা ৯২ হাজার ১৩৭ জন।

আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে (হাঁস) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনিত বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাবেয়া হোসেন। (পদ্মফুল) প্রতীক নিয়ে লড়াই করছেন আ’লীগের একক প্রার্থী ইউপি সদস্য দীপ্তি চক্রবর্তী। (কলস) প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন জামায়াত মনোনিত শিক্ষক শাহানারা খাতুন। (ফুটবল) প্রতীকে রয়েছেন ওয়ার্কাস পার্টি মনোনিত প্রধান শিক্ষক মাছুমা খাতুন। এদিকে নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় একাধিক প্রার্থীর কারনে বিপাকে রয়েছেন ১৯ দলীয় জোট প্রার্থীরা।

উল্লেখ্য, চেয়ারম্যান পদে জোটের একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হলেও দুই ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ-মহিলা) পদে একক প্রার্থী নির্ধারণ করতে ব্যার্থ হয় জোট নেতারা। বিএনপি নেতারা রাবেয়া হোসেনকে জোট মনোনিত প্রার্থী দাবী করলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসাবে লড়াই করছেন জামায়াত মনোনিত প্রার্থী শাহানারা খাতুন। ফলে একাধিক প্রার্থীর কারনে বিপাকে রয়েছেন জামায়াত-বিএনপি’র এ দু’প্রার্থী। শেষ মুহুর্তে এসে জোটের জেলা নেতৃবৃন্দ এ সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

অপরদিকে জামায়াত-বিএনপি’র একাধিক প্রার্থীর কারনে আ’লীগের একক প্রার্থী দীপ্তি চক্রবর্তী সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও তেমন কোন প্রচার-প্রচারণা নেই বলে তৃনমুল নেতাকর্মীরা জানান। শেষ মুহুর্তে ১৯ দলীয় জোটের একক প্রার্থী চূড়ান্ত হলে আ’লীগ ও জোট মনোনিত প্রার্থীর সাথে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে সাধারণ ভোটাররা জানান।

সাবাস বাংলাদেশ !

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অনেক অনকে শুভ কামনা ! 


কি লিখলে যে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারবো, বুঝতে পারছি না ! (বাকরুদ্ধ !)

 
বাংলাদেশ- ৩২৬/৩

এনামুল- ১০০ (১৩২), কায়েস- ৫৯ (৭৫), মোমিনুল- ৫১ (৪৭), মুশফিক *- ৫১ (৩৩), সাকিব *- ৪৪ (১৬)