Wednesday, April 23, 2014

বিশ্বাস !

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ইন্টারভিউ করার জন্য অপেক্ষা করছিলাম পাইকগাছা উপজেলা পরিষদে। হঠাৎ দেখি একজন বৃদ্ধ লোক উপজেলা পরিষদের গেটের সিড়িতে হাটু গেড়ে মাথা সিড়িতে ছুঁয়িয়ে প্রনাম করছেন। 

কৌতুহলি হয়ে প্রশ্ন করলাম তাকে, "এভাবে এখানে প্রণাম করার করান কি ?" ভদ্রলোক কানে কম শোনেন।

দ্বিতীয়বার প্রশ্ন করাতে তিনি জানালেন, "আমার জমিজমা নিয়ে মামলা চলছিল এবং আমি একটি ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা মামলার ২ নং আসামী। আজ মামলার রায় আমার পক্ষে হয়েছে, তাই এখানে প্রণাম করছি। তাছাড়া আমি সকল হাজিরার তারিখে এখানে প্রণাম করি।"

এছাড়া তিনি তার পরনের ধুতি উচু করে দেখালেন তার দুই পায়ের হাটুতে কালো দাগ পড়ে গেছে এভাবে প্রণাম করতে করতে। একই দাগ স্পষ্ট তার কপালেও। কি ভোগান্তিই না পোহাতে হয়েছে বৃদ্ধ মানুষটিকে !

পাইকগাছায় প্রতিপক্ষ কর্তৃক নার্সারীর গাছের চারা কেটে সাবাড়

পাইকগাছায় আনিছুর রহমান নামের এক নার্সারী মালিকের লাখ লাখ টাকার গাছের চারা কেটে সাবাড় করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর গ্রামের মোঃ কওছার আলী গাজীর পুত্র ও উপজেলা নার্সারী মালিক সমিতির অন্যতম সদস্য মোঃ আনিছুর রহমান গাজী প্রায় ১৫ বছর যাবৎ নার্সারী ব্যবসা করে আসছে। সে বসতবাড়ী সংলগ্ন প্রতিবেশি রবিউল সরদারের নিকট থেকে ১ বৈশাখ ১৪১৯ থেকে ৩১ চৈত্র ১৪২১ সন পর্যন্ত ৩ বছর মেয়াদী ইজারা চুক্তি ও কোবলা দলিলমুলে ক্রয়সুত্রে ১৮ কাঠা জায়গার উপর নার্সারী ব্যবসা পরিচালনা করছে।

বর্তমানে তার নার্সারীতে কুল, লিচু, আম, ছবেদা, বেদানাসহ বিভিন্ন প্রজাতির কয়েক লাখ টাকার গাছের চারা রয়েছে। এদিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ ওজিয়ার সরদার নামে এক প্রতিপক্ষ গত শনিবার আনিছুর বাড়িতে না থাকার সুযোগে নার্সারীতে প্রবেশ করে বাড়ন্ত গাছের চারা কেটে, উপড়ে সাবাড় করে দেয়। এসময় বাঁধা দিতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে স্ত্রী তানিয়া বেগম জানান।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে উপজেলা নার্সারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অশোর কুমার পাল জানান।

আজ পাইকগাছার তাপমাত্রা রাজশাহীকেও হার মানালো

পাইকগাছা :: ৪০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাজশাহী :: ৪০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এমনই আগুন ঝারানো রোদ্দুরে বোধহয় সুকুমার রায় লিখেছিলেন, 'রোদে ভাজা ইটের পাঁজা'। আলকাতরার মতো চিটচিটে ঘাম, আর ভ্যাপসা গরমেও দেখা নেই মেঘের।