Monday, November 11, 2013

তৃতীয় লিঙ্গ 'হিজড়া'র রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

ব্যক্তির লিঙ্গ পরিচয় হিসেবে 'নারী' ও 'পুরুষের' পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গ পরিচয় হিসেবে'হিজড়া'কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ সরকার। এর ফলে সরকারি নথিপত্র ও পাসপোর্টে হিজড়াদের লিঙ্গ পরিচয়কে 'হিজড়া' হিসাবে উল্লেখ করা হবে। শিক্ষা, চিকিৎসা ও আবাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য ঘোঁচাতেও কার্যকর হবে এই স্বীকৃতি। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত 'নীতিমালা' অনুমোদন করা হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার হিজড়া রয়েছেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হিসেবে শিক্ষা, চিকিৎসা ও আবাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা বৈষম্যর শিকার হয়ে আসছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে তথ্য সংগ্রহের সময় ব্যক্তির লিঙ্গ পরিচয় হিসাবে 'নারী' ও 'পুরুষের’' পাশাপাশি 'হিজড়া' হিসাবে চিহ্নিত করার সুযোগ থাকবে। পাসপোর্টেও তাদের লিঙ্গ পরিচয় হবে 'হিজড়া'। নথিপত্রে ইংরেজিতেও 'হিজড়া' শব্দটি ব্যবহার করতে হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।

হিজড়াদের নিয়ে কাজ করছে এমন সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই এই জনগোষ্ঠীকে 'তৃতীয় লিঙ্গ' হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল। প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানের সরকার আগেই তাদের এ স্বীকৃতি দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানের সড়কের বাস্তব অবস্থার চিত্রায়ণ !!!! (৫)

ছবিটি পাইকগাছা-আঠারমাইল সড়কের কাশিমনগর থেকে তোলা।


পাইকগাছায় অপহৃত দুই শিশুর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন

পাইকগাছার লতা থেকে অপহৃত দুই শিশুর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার ২২ ধারায় জবানবন্ধী শেষে আদালত তাদেরকে পিতা-মাতার জিম্মায় হস্তন্তর করেছে।

এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ২ নভেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়ে বাড়ী ফেরার পথে উপজেলার লতা ইউপির গঙ্গরকোনার চৈতন্য হালদারের মেয়ে ৫ম শ্রেণী পড়ুয়া সুমা হালদার (১২) ও একই এলাকার একই শ্রেণীতে পড়ুয়া আবুল কালাম সরদারের মেয়ে রাবেয়া খাতুন (১২) কে গঙ্গারকোনা ঘেরের দুই কর্মচারী খায়রুল ও সবুজ অপহরন করে। এ ঘটনার দুই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে সবুজ মোড়ল, খায়রুল গাজীসহ অনেকের নাম উল্লেখ করে পৃথকভাবে থানায় দুটি অপহরন মামলা করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই হারুন অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরার তালা থানার মুড়াগাছা গ্রাম থেকে শনিবার রাতে অপহৃত সুমা ও রাবেয়াকে উদ্ধার করে বরিবার তাদের ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করে। সোমবার পাইকগাছার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দুই ছাত্রীর ২২ ধারায় জবান বন্দি গ্রহন শেষে আদালত দু’জনকে পিতা-মাতার জিম্মায় হস্তন্তর করে।

এদিকে অপহৃত শিশুর পিতা আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন ইতিপুর্বে গঙ্গারকোনা ঘেরের কর্মচারীরা অনেক নারী-শিশুকে অপহরন করলেও তাদেরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অপহরনের সাথে ঘেরের ম্যানেজার আজগারের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে ওসি এম মসিউর রহমান জানিয়েছেন।