Wednesday, May 7, 2014

চাঁদখালী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

চাঁদখালী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সর্ব প্রথম ১৯২৭ সালে এম ই বিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১৯৬৫ সালে উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। 

বিদ্যালয়টি পাইকগাছা উপজেলার অন্তর্গত চাঁদখালী ইউনিয়ানে অবস্থিত। বহু গুনিজনদের আগমনে ধন্য হয়েছে প্রকৃতির রুপসী কণ্যা সুন্দরবনের নাভি পদ্মে অবস্থিত এই বিদ্যালয়টির আঙ্গিনা।

বিদ্যালয়টিতে তিন কক্ষ বিশিষ্ট একতলা পাকা ভবন (১ টি) এবং তের কক্ষ বিশিষ্ট একটি দোতলা পাকা ভবন রয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে রয়েছে শহীদ মিনার। বিদ্যালয়ের সম্মুখ দিয়ে পাইকগাছা-কয়রা সড়ক তাছাড়া কপোতাক্ষ নদ প্রবাহিত হচ্ছে।

পাইকগাছায় বিটিসিএলের গ্রাহক ভোগান্তি চরমে

পাইকগাছার ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জটির জনবল সংকট ও যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাইকগাছা টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি (বিটিসিএল) অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত করার সাথে সাথে গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং পাইকগাছা পৌরসভাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় সংযোগ সম্প্রসারিত হয়। 

কিছুদিন সেবার মান যথেষ্ট ভাল থাকলেও জনবল সংকট ও যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দিলে ভোগান্তির শিকার হন গ্রাহকরা। সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট পরিমাণ জনবল বা অভিযোগ কেন্দ্র না থাকায় গ্রাহকরা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাধ্য হন।

জানা গেছে, ডিজিটালে রূপান্তরিত হওয়ার পর গ্রাহক সংখ্যা ২৬০ থেকে ৭ শতাধিক হয়। বর্তমান বেহাল অবস্থার কারণে গ্রাহক সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২ শতাধিকে।

দেখা গেছে অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সাধারণ মহলে গ্রাহক নেই বললেই চলে। একজন টেলিকম ম্যাকানিক একজন লাইনম্যান ও একজন ব্যাটারীম্যান দিয়ে চলছে অফিসটির কার্যক্রম।

এমতাবস্থায় বিটিসিএলের স্লোগানের ("দেশ ও মানুষের সেবায়") সাথে তাদের সেবার মান কতখানি সঙ্গতিপূর্ণ সে প্রশ্ন থেকেই যায়। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান নিয়োগের পাশাপাশি সেবার মান উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

খুলনা বিভাগে ১৫ মে থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু

প্রথম পর্বে ফুলতলার পরিবর্তে পাইকগাছার নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি


নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে তিনটি যুক্তি দেখিয়ে জেলা নির্বাচন অফিস ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রথম পর্বে খুলনা জেলার ফুলতলার পরিবর্তে পাইকগাছা উপজেলার নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে জেলার কয়রা, রূপসা ও তেরখাদা উপজেলায় হালনাগাদকরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আগামী ১৫ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত প্রথম ধাপে হালনাগাদকরণ কার্যক্রম চলবে।

জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণের জন্য খুলনার কয়রা, তেরখাদা, রূপসা ও ফুলতলা উপজেলার নাম অন্তর্ভুক্ত করে। জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান গত রবিবার জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন অনু বিভাগের মহাপরিচালক বরাবর এক পত্রে হালনাগাদকরণের প্রথম পর্বে ফুলতলার পরিবর্তে পাইকগাছার নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

তিনি তার যুক্তিতে উল্লেখ করেন, বর্ষায় বাড়ি বাড়ি ঘোরা দুরূহ, ভৌগলিক অবস্থান এবং দুর্গম এলাকায় যাতায়াত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। ফলে হালনাগাদকরণের প্রথম পর্বে পাইকগাছাকে অগ্রাধিকার দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

জেলা নির্বাচন অফিসের সূত্রমতে, ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে যাদের বয়স ১৮ বছর হবে, তারাই হালনাগাদকরণে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে। নিবন্ধন ও ছবি তোলার জন্য ভোটারদের তথ্য কেন্দ্রে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ তালিকা অনুয়ায়ী ভোটার সংখ্যা হচ্ছে রূপসা উপজেলায় ১ লাখ ২১ হাজার ৮৪৯ জন, তেরখাদা উপজেলায় ৭৬ হাজার ১৬২ জন, কয়রা উপজেলায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫২৮ জন এবং পাইকগাছা উপজেলায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬০৩ জন।