Tuesday, July 22, 2014

কপিলমুনি দীপশিখা বহুমুখী সমবায় সমিতির গ্রাহক হয়রানি চরমে

কপিলমুনি দীপশিখা বহুমুখী সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সঞ্চয়কৃত টাকা না পেয়ে অবশেষে ভূক্তভোগী সমিতির গ্রাহক কপিলমুনির তাপস সাধুর স্ত্রী সুনিতা সাধু (৩৮) সভাপতি কমল মজুমদার ও সম্পাদক মেঘনাথ বিশ্বাসের নামে পাইকগাছা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিসট্রেট এর আদালতে মামলা করেছেন।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পাইকগাছা সমবায় কর্মকর্তার নিকট তদন্ত দিয়েছেন। এদিকে এতসব অপকর্ম করেও সভাপতি সম্পাদক রয়েছেন বহাল তবিয়তে।

মামলা সূত্রে প্রকাশ, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজারে দীপশিখা বহুমুখি সমবায় সমিতি নামে তথা কথিত সমিতি খুলে অসহায় গরীবের রক্ত চুষে আসছেন কর্মকর্তাদ্বয়। সমিতির সভাপতি সম্পাদকের নিকট মামলার বাদী সুনিতা সঞ্চয় খোলেন। ওই সঞ্চয় পত্রে তার জমা হয় লভ্যাংশ’সহ ৪৫০০ টাকা।

মামলার স্বাক্ষী তাপস সাধুর ছেলে সুমন সাধুর লভ্যাংশসহ ২৯০০ টাকা, তপন সাধুর ছেলে অমিত সাধুর লভ্যাংশ সহ ১১,১৬০ টাকা, তপন সাধুর স্ত্রী মিরা সাধুর ১০,২০০ টাকা পাওনা হয়। কিন্তু কর্র্তৃপক্ষ (সভাপতি/ সম্পাদক) গ্রাহকদের ওয়াদা অনুযায়ী টাকা দেন নি। শুধু তাই নয়, টাকা দিতে অস্বীকার করে অশালীন ভাষায় গালী দেওয়াসহ জীবন নাশের হুমকি প্রদর্শণ করেন।

আলোচিত কপিলমুনি দীপশিখা বহুমুখী সমবায় সমিতির গ্রাহক হয়রানির ইতিহাস এখানেই শেষ নয়, সভাপতি কোমল মজুমদার ও সম্পাদক মেঘনাথ বিশ্বাস শত শত গ্রাহকের সাথে এভাবে প্রতারণা করে চলেছেন। ‘আর্থিক নিরাপত্তাই আমাদের অঙ্গিকার’ এ শ্লোগান নিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও তাদের কর্মকান্ড যেন উল্টোটা।

এলাকার নিম্ন শ্রেণীর মানুষ থেকে শুরু করে বাজারের অসংখ্য ব্যবসায়ী এ সমিতিতে আর্থিক লেনদেন শুরু করেন। তিল তিল করে জমানো টাকা তারা সঞ্চয় করতে থাকেন সমিতিতে। বর্তমানে গ্রাহকদের জমাকৃত টাকা নিয়ম-অনুযায়ী যথা সময়ে লভ্যাংশসহ ফেরৎ দিচ্ছেন না তারা। বিভিন্ন তাল বাহানা করে চলেছে সমিতি কর্তৃপক্ষ।

কয়রায় হোগলার খাল জলমহলটি অবমুক্ত করার দাবি

কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের হড্ডা মৌজার অধীন হোগলার খাল জলমহলটি খাস কালেকশনের কবল থেকে অবমুক্ত করে সেটি উম্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় জনসাধারণ। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০ একরের বেশী আয়তনের হোগলার খাল হতে পানি নিয়ে এলাকার সর্ব সাধারণ প্রায় ৫ হাজার একর জমিতে ঘের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এতে লোকজন আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতা ফিরে পেতে শুরু করেছে।

সম্প্রতি গৌতম কুমার সরদার দিং এর নিকট জলমহলটি খাস কালেকশনে দেয়ায় এলাকার হাজার হাজার মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এ জন্য সর্বসাধারণের আশা আকাংখার প্রতি খেয়াল রেখে হোগলার খাল জলমহল হতে খাস আদায়ের আদেশ বাতিল করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন মহেশ্বরীপুর এলাকার ভূক্তভোগী লোকজন।

কপিলমুনিতে গাঁজা বিক্রেতা শ্রীঘরে

কপিলমুনিতে কসমেটিকস্ ব্যবসার আড়ালে গাজার ব্যবসা চালাতে গিয়ে গাজা সম্রাট অমর সাধু অটকের পর এবার লন্ড্রি ব্যাবসা আড়ালে করা আরেক গাঁজা ব্যবসায়ীকে আটক করে শ্রীঘরে দিয়েছে ফাড়ি পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জামাল দীর্ঘদিন ধরে লন্ড্রি ব্যবসা আড়ালে গাঁজার ব্যবসা করে আসছে। ইতোপূর্বে সে গাজাসহ পুলিশের কাছে বেশ কয়েক বার ধরা পড়ে জেল খাটে। কিছু দিন আগে সে জেল থেকে বাড়ী এসে আবারো পূর্বের ব্যবসায় ফিরে যায়।

লন্ড্রি ব্যবসার আড়ালে গাঁজা সহ মাদকের ব্যাবসা অনায়াসে চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ব্যাবসার প্রসার বৃদ্ধির জন্য সে সিংহ বাড়ির পার্শ্বে রেজাকপুরের মধ্যে একটি গোপন জায়গায় আরো একটি শাখা খুলে বসে। লন্ড্রি ব্যাবসা কমিয়ে জোরে সোরে মদ, গাঁজা, ফেনসিডিলের ব্যাবসা শুরু করে।

এদিকে এ সংবাদ কপিলমুনি ফাড়ি পুলিশ জানতে পেরে গতকাল সোমবার বিকাল ৫টায় এস.আই হাসমত আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রেজাকপুরে তার গোপন আস্থানায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জামাল পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে ঝাপটে ধরে তার দেহ তল্লাশি করে ২৪ পুরিয়া গাঁজা’সহ আটক করে।